Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

সারের ভর্তুকির অর্ধেক সুবিধা ভোগ করেন মাত্র ২০ শতাংশ জমির মালিক: বিশ্বব্যাংক

Published June 16, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Susan Brown - banglabeacon.com

Foto : Susan Brown - banglabeacon.com

বাংলাদেশে কৃষি সুবিধা এবং সার সরবরাহের অসমতা আবিষ্কৃত হয়েছে

বিশ্বব্যাংকের গবেষণার মাধ্যমে স্পষ্ট চিত্র উঠে এসেছে

Banglabeacon.com – স র র ভর ত ক র - বাংলাদেশের কৃষি খাতে সরকারি ব্যয়ের পুনর্বিন্যাস নিয়ে বিশ্বব্যাংকের গবেষণা প্রকাশ করা হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের সংস্থানে এক অনুষ্ঠানে প্রকাশিত 'রিপারপোজিং অ্যাগ্রিকালচারাল পাবলিক স্পেন্ডিং ফর কোয়ালিটি গ্রোথ অ্যান্ড জবস ইন বাংলাদেশ' প্রতিবেদনে বলা হয়েছে কৃষি খাতে আর্থিক সুবিধা প্রদানের পদ্ধতি পরিবর্তন করার প্রয়োজন। বর্তমানে সারের ভর্তুকি কৃষি সহায়তার প্রধান উপাদান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, এটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাজেটের প্রায় ৮০ শতাংশ কোটা করে।

তবে এই ভর্তুকির সুবিধা কৃষকদের মধ্যে অসমতা দূর করা যায় নি। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের শীর্ষ ২০ শতাংশ জমির মালিক মোট সার সুবিধার প্রায় অর্ধেক অর্থ পান, যেখানে নিচের ৪০ শতাংশ কৃষক মাত্র ১৫ শতাংশ বিভাগের সুবিধা লাভ করে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেম বলেন, সার সরবরাহ বৃদ্ধি করতে কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য একটি বড় সুযোগ রয়েছে।

‘সার সরবরাহে বড় ধরনের অসমতা রয়েছে। সুষম পুষ্টি উপাদানের সার ব্যবহার করেন কেবল মাত্র ৫ শতাংশ কৃষক। এটি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হতে পারে যদি এই অসমতা দূর করা যায়।’

সার সুবিধার প্রভাব ও বৈচিত্র্যহীনতা

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে দেশের প্রায় ৭২ শতাংশ চাষযোগ্য জমি ধান চাষের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। কৃষি ভর্তুকির প্রায় ৮০ শতাংশ সুবিধা এ খাতে যায়, যা সহায়তার পদ্ধতি দুর্বলতা দেখায়। সুখবর হলো যে অগ্রগতি পেতে বাংলাদেশ আরও সহনশীল ও উৎপাদনশীল কৃষি-খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারবে যদি সহায়তা প্রদানের পদ্ধতি আধুনিকায়ন করা হয়।

বাংলাদেশে সারের ব্যবহারে অনিশ্চয়তা আবিষ্কৃত হয়েছে, যা জলবায়ু ঝুঁকি এবং খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের কারণে ঘটছে। ধান উৎপাদনে বৈচিত্র্য আনতে সরকারি ব্যয় বর্তমানে স্থানান্তরিত হয়নি। কৃষি খাতে মানসম্মত গতি বৃদ্ধির জন্য ধান ব্যবহার বর্ধিত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।

প্রতিবেদনের প্রস্তাব

প্রতিবেদনে সংস্কারের প্রস্তাব রয়েছে। স্বল্প মেয়াদে মাটির পরীক্ষা বৃদ্ধি করার প্রয়োজন আছে। কৃষক পরামর্শসেবা �