Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

সমন্বিত ‘সিভিল এভিয়েশন মাস্টারপ্ল্যান’ প্রণয়নের কাজ শুরু জানা‌লেন বিমানমন্ত্রী

Published June 22, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mark Hernandez - banglabeacon.com

Banglabeacon.com – সমন ব ত স ভ ল এভ - দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের দীর্ঘমেয়াদি, টেকসই ও পরিকল্পিত উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো সমন্বিত ‘সিভিল এভিয়েশন মাস্টারপ্ল্যান’ বা বিমান চলাচল মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এই মহাপরিকল্পনাটি আগামী ২০ থেকে ৩০ বছর বা তারও বেশি সময়ের জন্য একটি জাতীয় রোডম্যাপ হিসেবে কাজ করবে বলে উল্লেখ করা হয়। র‌বিবার (২১ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘সিভিল এভিয়েশন মাস্টার প্ল্যানিং ওভারভিউ’ শীর্ষক এক কর্মশালা উদ্বোধনের সময় এসব কথা জানানো হয়। আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (আইসিএও)-এর দিকনির্দেশনায় এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সার্বিক তত্ত্বাবধানে সিভিল এভিয়েশন একাডেমি এই কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা আগামী দিনে দেশের বিমান খাত কোথায় অবস্থান করবে, তার সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা সম্বলিত একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, ‘বিমান পরিবহণ এখন আর শুধু যাত্রী ও পণ্য পরিবহণের মাধ্যম নয়; এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, পর্যটন বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তাই বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে এই মহাপরিকল্পনা দেশের দ্রুত বিকাশমান বিমান চলাচল খাতের সমন্বিত ও ভবিষ্যৎমুখী উন্নয়ন নিশ্চিত করবে।’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজামান মিল্লাত সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, চলতি বছরের শেষ নাগাদ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল আনুষ্ঠানিকভাবে চালুর লক্ষ্যে কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। পাশাপাশি, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে পরিচালনার প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং দেশের চারটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরকে আরও কার্যকর ও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। কর্মশালায় জানানো হয়, বর্তমানে বাংলাদেশের কোনো সমন্বিত জাতীয় সিভিল এভিয়েশন মাস্টারপ্ল্যান নেই। এই ঘাটতি পূরণে বেবিচকের এই উদ্যোগ আগামী ১ থেকে দেড় বছরের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যেখানে আইসিএও প্রয়োজনীয় কারিগরি ও বিশেষজ্ঞ সহায়তা দেবে। বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বেবিচকের সদস্য (অপারেশনস অ্যান্ড প্ল্যানিং) এয়ার কমোডর আবু সাঈদ মেহবুব খান। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার।