AMP
Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

সকারুজদের কাঁদিয়ে টাইব্রেকারে মিশরের শেষ ষোলো নিশ্চিত | সংবাদ

Published July 4, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Patricia Jackson - banglabeacon.com

Foto : Patricia Jackson - banglabeacon.com

মিশর বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে পা রাখতে সক্ষম হয়

Banglabeacon.com – সক র জদ র ক দ য় - সংকটপূর্ণ প্রতিযোগিতার মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ও মিশরের মধ্যে লড়াই শেষে শেষ ষোলোতে পা রাখলো মিশর। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের খেলায় ১-১ গোলে সমতা রেখে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। এতে মিশরের কোচ হোসাম হাসান ও অস্ট্রেলিয়ার কোচ টনি পপোভিচ দুই দলের খেলোয়াড়দের নির্দেশনা দেন।

প্রথমার্ধ এবং সংগ্রামী প্রতিরোধ

ম্যাচের শুরুতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলে। প্রথমার্ধের ১৩তম মিনিটে ইমাম আশুরে মিশর এগিয়ে যায়। অস্ট্রেলিয়া তার পরিবর্তে প্রথমার্ধের শেষে ব্যবধান বাড়াতে সক্ষম হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ওমর মারমোশ গোলরক্ষকের সামনে ছিলেন, কিন্তু বল পোস্টে বাইরে মারেন। মিশরের এই বিপর্যয় নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়।

৫৫তম মিনিটে অস্ট্রেলিয়া সমতা ফিরে পায়। সকারুজদের একটি ফ্রি-কিক থেকে মিশরের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানি বিপরীত জালে হেড করে বসে। চলতি বিশ্বকাপে এটি হানির দ্বিতীয় এবং পুরো আসরে তার ১৩তম আত্মঘাতী গোল। এটি বিশ্বকাপে এক আসরে নতুন রেকর্ড তৈরি করে।

সামগ্রিক সমাপ্তি ও সংকট মোকাবিলা

ম্যাচের শেষ দিকে দুই দল গোল করার জন্য প্রতিযোগিতা বাড়িয়ে তোলে। কোচ হোসাম হাসান মিশর প্রথম তৃতীয় প্রতিযোগিতার সময়ে করিম হাফেজকে বিপরীত দলের আক্রমণভাগে প্রতিস্থাপন করেন। অস্ট্রেলিয়ার হ্যারি সাউত্তার হেড এবং মিশরের রামি রাবিয়া গোলরক্ষক কোনো গোল আটকে রাখেন।

“বলের দখল ধরে রেখে আক্রমণ আরও বাড়াতে হবে, রক্ষণভাগের ভুলগুলো এড়িয়ে চলো।”

৮২তম মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার শট বারের ওপর দিয়ে মেরে দেয় মিশরের কোচ হোসাম হাসান। এর পর মিশর প্রথম তৃতীয় প্রতিযোগিতার সময়ে সালাহ ও মারমোশকে মাঠে নামান না। প্রথম প্রতিযোগিতার পরিবর্তে হাইসেম হাসান ও আজদিন হ্রুস্টিচ খেলোয়াড়দের পরিবর্তন করেন।

“নিজেদের অর্ধে নেমে রক্ষণ শক্ত করো এবং ধৈর্যের সাথে সুযোগের অপেক্ষা করো।”

ম্যাচের প্রতিযোগিতার সময় নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে কোনো গোল না হওয়ায় মিশর টাইব্রেকারে গোল করার চেষ্টা করে। সেখানে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শট এবং চতুর্থ শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। মিশরের সকারুজদের কোনো ভুল না হওয়ায় একটি মিস ছাড়া চারটি শট নেওয়া হয়। যেহেতু মিশর প্রতিযোগিতার সময় চারটি শট থেকে কোনো গোল না হয়, তারা নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে আত্মঘাতী গোল করে চলতি বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট পেয়ে যায়।