Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

শিশু নিছামনি হত্যা : দুই আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

Published June 18, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Patricia Jackson - banglabeacon.com

Foto : Patricia Jackson - banglabeacon.com

শিশু নিছামনি হত্যা : দুই আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

Banglabeacon.com – শ শ ন ছ মন হত য - শিশু নিছামনি হত্যা ঘটনার পর দুই আসামি সায়েম ও মারুফের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার টাঙ্গাটি গ্রামে একটি নৃশংস ঘটনার পর পাঁচ বছর বয়সী শিশু নিছামনির মরদেহ কংস নদীতে ভাসতে দেখা হয়। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য সংগ্রহ করে এবং ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ জানায়। পুলিশ জানায়, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত চার আসামি এখন গ্রেপ্তার হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।

নিছামনির মৃতদেহ উদ্ধার ও প্রতিবেদন

গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে স্থানীয় বাসিন্দারা কংস নদীতে নিছামনির মৃতদেহ উদ্ধার করে। তার শরীরে বিভিন্ন জখম ছিল, যার মধ্যে গলা ও বুকে কামড়ের দাগ স্পষ্ট ছিল। পুলিশ তাদের নিছামনি শিশুর মৃত্যু সম্পর্কে আরও গুরুতর তথ্য সংগ্রহ করতে চায়। মরদেহ উদ্ধারের পর রাতে দাফন করা হয়। এই ঘটনার পর স্থানীয় কিছু মানুষ ঘটনার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এটি শিশু নিছামনি হত্যার বৃহত্তর সাংঘাতিক দৃষ্টান্ত হতে পারে।

পুলিশের তদন্ন ও ময়নাতদন্ত

নিছামনি হত্যার ঘটনার পর পুলিশ তদন্ন শুরু করে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা সহায়তা করে। স্থানীয় তদন্নের মধ্য দিয়ে শিশু নিছামনির মৃত্যুর বিশদ বিবরণ সংগ্রহ করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, ঘটনার পূর্বে শিশুটি তাদের কাছে পৃথক ছিল এবং পরিবারের সদস্যদের নিছামনি কে জিজ্ঞাসা করা হয়। পুলিশ মর্গে পাঠানো মৃতদেহ বিশ্লেষণ করে অত্যাচারের প্রমাণ খুঁজতে চায়। একটি গুরুতর ধরণের কামড়ের চিহ্ন মেলার পর পুলিশ ক্ষুদ্র শিশু হত্যার ঘটনার প্রতি গুরুতর অস্বীকৃতি জাগে।

নিছামনির পরিবারের সদস্যদের জানায়, শিশুটির শরীরে অস্ত্রোপচারের প্রমাণ ছিল না। তবে জখম ও রক্তের চিহ্ন থেকে পাশবিক নির্যাতনের ঘটনা সন্দেহ জাগে। তাদের অভিযোগের মধ্যে শিশু নিছামনি হত্যার বিষয়ে কঠোর তদন্ন করা হয়।

আসামি সায়েম ও মারুফের স্বীকারোক্তি

বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে ময়মনসিংহ আদালতে হাজির করা হয় দুই আসামি সায়েম ও মারুফ। তাদের জবানবন্দি থেকে শিশু নিছামনি হত্যার সম্পূর্ণ সত্যতা নিশ্চিত হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেল, তাদের কাছে শিশুটির হত্যার জন্য স্বীকারোক্তি পাওয়া গেছে। তবে আসামিরা গুরুতর অপরাধের জন্য আদালতে যাওয়ার আগে কোনও মার্কিন অপরাধ ঘটেনি।

তদন্নের পর দেখা গেল যে, শিশু নিছামনি হত্যার ঘটনা সায়েম ও মারুফের সঙ্গে কঠোর সম্পর্কে রয়েছে। তাদের অভিযোগ মোতাবেক শিশুটি তাদের বিরুদ্ধে কামড় বা বাধা দিতে সক্ষম ছিল না। অত্যাচার ঘটনার পর দুই আসামি আদালতে প্রমাণ হাজির করে। তাদের জবানবন্দি থেকে শিশু নিছাম