Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

মুন্সীগঞ্জের ধলেশ্বরী নদী এখন ‘রুপালি ধুলার’ বিষে নীল

Published August 12, 2026 · Updated August 12, 2026 · By Michael Brown - banglabeacon.com

Foto : Michael Brown - banglabeacon.com

ধলেশ্বরী নদীর তীরে সিমেন্ট কারখানার ধুলার প্রকোপ

Banglabeacon.com – ম ন স গঞ জ র ধল - মুন্সীগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীতীরবর্তী এলাকাগুলো এখন ধুলার সাদা আস্তরণে ঢেকে গেছে। নদীর পাড় বরাবর গড়ে ওঠা সিমেন্ট কারখানাগুলো থেকে ক্লিংকার খালাস, সংরক্ষণ ও পরিবহনের সময় যে ধূলিকণা উড়ে, তা পরিবেশকে বিপন্ন করছে। এই ধুলার স্তর শুধু প্রাকৃতিক দৃশ্যকে নয়, সাধারণ মানুষের নিশ্বাসকেও দমিয়ে তুলছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ ও কষ্ট

সদর উপজেলার মুক্তারপুর ও চরমুক্তারপুর এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, নদীতীরের বিশাল অংশ ধুলার চাদরে আবৃত। জাহাজ থেকে খোলা অবস্থায় ক্লিংকার নামানোর সময় বাতাসের সাথে তা ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের বাড়িঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কৃষিজমিতে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শুষ্ক মৌসুমে এই সমস্যা আরও তীব্র হয়।

মিরেশ্বরাই গ্রামের বাসিন্দা মো. কবির হোসেন আক্ষেপ করে বলেন, 'সিমেন্ট কারখানার ধুলা আর বালির অত্যাচারে আমরা নদীর পাড়ে দাঁড়াতে পারি না। চোখে-মুখে ধুলা ঢুকে যায়। একটু শান্তি নিতে যে নদীর পাড়ে বসব, সেই উপায়ও নেই।'।

নয়াগাঁও এলাকার নূর হোসেন বেপারীও একই অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, 'ধুলাবালির ভয়ে আমরা ঘরবাড়ির দরজা-জানালা পর্যন্ত খুলতে পারি না। সারা দিন সব বন্ধ করে বন্দি হয়ে থাকতে হয়।'।

মিরসরাই গ্রামের বিনা বেগমের অভিযোগ আরও গভীর। তিনি মনে করেন, বছরের পর বছর এই সমস্যা চললেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থায়ী কোনো সমাধান মিলছে না।

স্বাস্থ্যঝুঁকি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা

চিকিৎসকরাও এই ধুলার প্রভাবে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা করছেন। মুন্সীগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. সাজেদা বেগম বলেন, সিমেন্ট কারখানার এই সূক্ষ্ম ডাস্ট বা 'ফ্লাই অ্যাশ' বাতাসের সঙ্গে মিশে মানবদেহে প্রবেশ করে ফুসফুস ও শ্বাসযন্ত্রের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। এটি শুধু মানুষের জন্য নয়, ফসলের জন্যও ক্ষতিকর। প্রশাসনিকভাবে এর তদারকি ও ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

পরিবেশ অধিদপ্তর বলছে, তারা নিয়ম ভাঙার অভিযোগে মাঝেমধ্যেই ব্যবস্থা নিচ্ছে। মুন্সীগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান জানান, কারখানাগুলোকে ডাস্ট নিয়ন্ত্রণে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া আছে। নির্দেশনা না মানলে জরিমানা করা হয়। এমনকি গত দুই মাস আগেও একটি কারখানাকে এ কারণে জরিমানা করা হয়েছে।

তবে শুধু জরিমানাতেই সমাধান দেখছেন না পরিবেশবাদীরা। তাদের মতে, ক্লিংকার খালাস ও পরিবহনে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার না করলে এবং আইন প্রয়োগে কঠোর না হলে এই জনপদ অচিরেই বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ম ন স গঞ জ র ধল?

ম ন স গঞ জ র ধল is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ম ন স গঞ জ র ধল matter?

ম ন স গঞ জ র ধল matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.