Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

‘মানসিক যন্ত্রণা নিতে পারছি না, আমরা চলে যাচ্ছি’

Published July 17, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Patricia Jackson - banglabeacon.com

Foto : Patricia Jackson - banglabeacon.com

মানসিক যন্ত্রণা নিতে পারছি না, আমরা চলে যাচ্ছি

Banglabeacon.com – ম নস ক যন ত রণ ন - মানসিক যন্ত্রণা ও চাপ প্রতিদিনের জীবনে পরিণত হয়েছে সাধারণ মানুষের জন্য। বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার রাজৈর গ্রামে কবির হাওলাদার (৩৮) এবং তার স্ত্রী হালিমা বেগম (২৫) এর পাশে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে, যেখানে লেখা ছিল:

“আল্লাহ আমাদেরকে মাফ করে দিও। আমি কবির এবং আমার বউ হালিমা। আমরা চলে যাচ্ছি। মানসিক যন্ত্রণা আর প্রেসার আর নিতে পারছি না। তাই আমরা চলে যাব এমন জায়গায় আর ফিরে আসবো না। এতে কারো কোন হাত নেই। আমরা আমাদের ইচ্ছাতেই যাইতে আছি। এতেই তারা সুখে থাকবে। ইতি, কবির”

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে পুলিশ দম্পতির নিথর দেহ উদ্ধার করে। লাশ এবং চিরকুটটি একসাথে পাওয়া গেছে। কবির হাওলাদার ছিলেন মো. আব্দুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে। ঘটনার পর এলাকায় বিস্ময় এবং শোকের ছায়া পড়েছে। চিরকুটের লেখা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

মানসিক যন্ত্রণার জন্য আলোচনা শুরু

প্রতিবেশীরা বলেন, ঘটনাটি বৃহস্পতিবার রাতের কোনো একসময় ঘটেছে। এর পর থেকে এলাকার মানুষ চোখ রেখেছেন। কেউ বলছেন, পারিবারিক কলহ হতে পারে। আবার কেউ মনে করছেন, আর্থিক সংকট বা ধারদেনার চাপে এ ঘটনা ঘটতে পারে। মানসিক যন্ত্রণা নিয়ে আলোচনা চলছে এবং তার পরিবারের স্থিতিশীলতা কেন হারিয়ে গেছে সে বিষয়ে প্রতিবেশীরা মতামত প্রকাশ করছেন।

কবির হাওলাদারের জীবন ও সম্পর্ক

এলাকার একজন বাসিন্দা শাওন হোসেন জানান, কবির হাওলাদার পেশায় জেলে। তিনি ও তার পরিবার প্রতিবেশীদের মধ্যে শান্ত এবং সংযমী স্বভাবের মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবে অভাব ও পারিবারিক বিরোধের কারণে মানসিক যন্ত্রণার আবেগ প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছিল। তাদের সংসারে দুটি শিশু সন্তান রয়েছে, যারা বর্তমানে পরিবারের মাথায় বেঁধে রয়েছে। কবির এবং হালিমার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে।

মানসিক যন্ত্রণার প্রতিক্রিয়া হিসেবে কবির এবং হালিমা এমন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যা পরিবারের সামাজিক চাপ ও প্রতিকূল পরিবেশ থেকে বাঁচতে চেয়েছিল। তাদের দুঃখের স্থানে আবার একটি নতুন মানসিক যন্ত্রণা তৈরি হয়েছে। প্রতিবেশীদের অনুমা�