AMP
Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

মহাশূন্য থেকে আসবে তারবিহীন বিদ্যুৎ

Published July 5, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Anderson - banglabeacon.com

Foto : Jennifer Anderson - banglabeacon.com

মহাকাশে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের ভবিষ্যত ধারণা

Banglabeacon.com – মহ শ ন য থ ক আসব - মহাশূন্য থেকে আসবে তারবিহীন বিদ্যুৎ। পৃথিবীর কক্ষপথে হাজারো উপগ্রহ বর্তমানে অবস্থিত আছে যারা পৃথিবীর নানা ক্ষেত্রে কাজে লাগছে। আর্থার ডি ক্লার্কের সমালোচনা অনুসারে, পৃথিবীর কক্ষপথে স্থাপিত কোন উপগ্রহ যদি ২২ হাজার ২৩৬ মাইল উচ্চতায় অবস্থিত হয়, তাহলে পৃথিবীর যে কোন স্থান থেকে লেজার রশ্মি প্রাপ্ত হবে কারণ ঐ উচ্চতায় পৃথিবী এবং উপগ্রহের ঘূর্ণন গতি সমান হয়। বর্তমানে ক্রিয়াশীল উপগ্রহগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী কক্ষপথের বিভিন্ন উচ্চতায় স্থাপন করা হয়েছে। আইএসএস বা আমেরিকা, রাশিয়া, জাপান, কানাডা ও ইউরোপীয় ১১ দেশের যৌথ মহাকাশ স্টেশন ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ২৫০ মাইল উচ্চতায় অবস্থিত। এটি ঘণ্টায় প্রায় ১৭ হাজার মাইল গতিতে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে।

মহাকাশে সৌর বিদ্যুৎ প্রযুক্তির উদ্ভাবন

মহাশূন্যে সৌর প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ধারণা পৃথিবীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাধান হতে পারে। যেহেতু মহাশূন্যে সূর্যের আলো বিনা অ্যাটমোস্ফেয়ারে পৌঁছে থাকে এবং পৃথিবী চার্জ সরবরাহ করার প্রক্রিয়াটি এখন প্রায় সম্ভব। মহাশূন্যে দিনরাত সর্বক্ষণ সূর্যের আলো পাওয়া যায়, ফলে মহাকাশে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন অনেকটা টেকসই। বিশেষ করে জাপান ও চীন দুটি দেশ নিজ নিজ উদ্যোগে মহাকাশ স্টেশন স্থাপনের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এই দুটি দেশ পৃথিবীর জিও স্টেশনারি পয়েন্টে এক কিলোমিটার দীর্ঘ সৌর প্যানেল বসাবে। এতে পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব।

মহাশূন্য থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে পৃথিবী তার বিদ্যুৎ উৎপাদন সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে। যেহেতু মহাকাশে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন অনেক বেশি কার্যকর। পৃথিবীর সমস্ত দেশ যদি মহাশূন্য থেকে প্রাপ্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, তাহলে বিদ্যুৎ সংকট কমে আসবে। বিশেষ করে যুদ্ধ বিমান প্রস্তুতকারী জায়ান্টরা লেজার বিদ্যুৎ নিরভ্যর বিমান তৈরি করতে পারবে। আইএসএস বা মহাকাশে অবস্থিত অন্যান্য উপগ্রহগুলো মহাশূন্য থেকে সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারে।

জাপান ও চীনের মহাকাশ সংক্রান্ত কাজ

জাপান এবং চীন মহাকাশে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করার ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য হয়ে উঠছে। চীন ইতোমধ্যে ১০০ মিটার দূরত্বে তারবিহীন বিদ্যুৎ সরবরাহে সাফল্য পেয়েছে। পৃথিবীতে লেজার বিদ্যুৎ কিছুটা সময় নিলেও নিকট ভবিষ্যতে আইএসএস, ড্রোন ও বিমানকে চার্জ সাপ্লাই করা সম্ভব হবে। মহাকাশে সৌর বিদ্যুৎ প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং এটি