Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: দীনেশ ত্রিবেদী

Published June 13, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mark Hernandez - banglabeacon.com

Foto : Mark Hernandez - banglabeacon.com

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: দীনেশ ত্রিবেদী

Banglabeacon.com – ভ রত ব ল দ শ সম - ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার প্রতিপ্রবাহ বিস্তার করেছেন। তিনি বেনাপোল সীমান্তে পৌঁছে বলেন, “সমান আকাশ, বাতাস ও জল নিয়ে আমরা একত্রে কাজ করব।” এই সাংবাদিক সম্মেলনে দুই দেশের সহযোগিতা সম্পর্কে আশাবাদ জানানোর পাশাপাশি মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও সাংস্কৃতিক আদানপ্রদান বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

১২ জুন সকালে তিনি বেনাপোল-পেট্রাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট থেকে সড়কপথে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। তাঁর সাথে তাঁর স্ত্রী মৃণাল ত্রিবেদীও ছিলেন। বেনাপোল স্থলবন্দরে পৌঁছানোর পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাঁকে স্বাগত জানান। আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তাঁর সফরের আগে থেকেই নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি করা হয়েছিল। বেনাপোল কাস্টমস, ইমিগ্রেশন ও সীমান্ত রক্ষী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখেছিল। ভারতীয় হাইকমিশনের কূটনৈতিক প্রতিনিধি দল যশোরে অবস্থিত ছিল এবং সীমান্তে তাঁকে অভ্যর্থনা জানায়।

সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ দুই শক্তিশালী গণতান্ত্রিক দেশ। তিনি জানান, যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করা হলে সম্পর্ক আঞ্চলিক থেকে বৈশ্বিক মহাসাগর ছাড়িয়ে যেতে পারে। তিনি যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও খেলাধুলার ক্ষেত্রে একত্রে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

“সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে চায় দিল্লি। আমাদের মানুষ এবং সংস্কৃতি নিয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধি করার প্রয়োজন রয়েছে।”

টুরিস্ট ভিসা প্রসঙ্গে তিনি জানান, এ বিষয়টি তাঁর বিবেচনায় রয়েছে এবং দুই দেশের মানুষকে উপকৃত করা উদ্দেশ্যে উদ্যোগ নেওয়া হবে। সম্পর্কের স্থিতিশিলতা ও প্রতিষ্ঠার জন্য সীমান্ত থেকে শুরু করে কূটনৈতিক স্তর পর্যন্ত সমন্বয় বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৫ জুন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপাদি মুর্মু থেকে আনুষ্ঠানিক পত্রাধিকার গ্রহণ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পান। তিনি পূর্ববর্তী হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

বেনাপোল সীমান্ত থেকে শুরু করে কূটনৈতিক স্তর পর্যন্ত সমন্বয় বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে নতুন হাইকমিশনারের বার্তা স্পষ্ট- দুই দেশের সম্পর্ক সহযোগিতা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে আরও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।