Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে: স্পিকার | সংবাদ

Published September 14, 2026 · Updated September 14, 2026 · By Mark Hernandez - banglabeacon.com

Foto : Mark Hernandez - banglabeacon.com

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক সমমর্যাদার ভিত্তিতে চায় বাংলাদেশ

Banglabeacon.com – ভ রত র সঙ গ ব ল - ভ রত র সঙ গ ব বিষয়ে বাংলাদেশের প্রত্যাশা হওয়া উচিত পারস্পরিক সম্মান, ন্যায্যতা ও সমমর্যাদার ওপর দাঁড়ানো সম্পর্ক—এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী, তবে সেই সম্পর্ক কোনো পক্ষের অধীনতা বা অসম অবস্থানের প্রতীক হতে পারে না। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা টেকসই করতে হলে পারস্পরিক মর্যাদাবোধকে গুরুত্ব দিতে হবে।

তিন দিনের সফরের শেষ দিনে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর সকালে ভোলা ছাড়ার আগে সার্কিট হাউসে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ধরন নিয়ে অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্যের প্রসঙ্গও তোলেন। স্পিকারের ভাষ্য, বাংলাদেশের মানুষ এমন একটি সম্পর্ক দেখতে চায়, যেখানে উভয় দেশ নিজ নিজ স্বার্থ ও সার্বভৌম মর্যাদা অক্ষুণ্ন রেখে সহযোগিতা করবে।

সমমর্যাদা ও পারস্পরিক সম্মানের ওপর জোর

হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, অতীতের আওয়ামী লীগ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্পর্কের ধরন ব্যাখ্যা করতে স্বামী-স্ত্রীর উপমা ব্যবহার করেছিলেন। কিন্তু বাংলাদেশের জন্য এ ধরনের সম্পর্কের কোনো প্রয়োজন নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর মতে, বাংলাদেশের অবস্থান হওয়া উচিত সমমর্যাদার সৎ প্রতিবেশী হিসেবে সুসম্পর্ক রক্ষা করা। ভ রত র সঙ গ ব সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই নীতিই দেশের মানুষের প্রত্যাশার সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।

তিনি ভারতের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের নানা অসন্তোষের কথাও উল্লেখ করেন। প্রতীত সরকারের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে আশ্রয় দেওয়া এবং সেখানে রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিকে তিনি প্রতিবেশীসুলভ আচরণ হিসেবে দেখেন না বলে জানান। এ ধরনের পদক্ষেপ দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা ও সম্পর্কের পরিবেশে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে বলেও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।

ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগও তোলেন স্পিকার। তাঁর বক্তব্য, প্রতিবেশী ও আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে আচরণে মর্যাদার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে কেবল কূটনৈতিক যোগাযোগ নয়, প্রতীকী সম্মান ও রাজনৈতিক সৌজন্যও সমানভাবে বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।

জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে আশাবাদ

জুলাই সনদ এবং রাষ্ট্র সংস্কারের প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, দীর্ঘদিনের দুঃশাসনের কারণে দেশের প্রায় প্রতিটি খাতে ধস নেমেছে। সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে সময় লাগবে। তাঁর মতে, কাঠামোগত দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠা এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সহজ কাজ নয়; এজন্য রাজনৈতিক অঙ্গীকার, ধৈর্য ও জাতীয় ঐকমত্য প্রয়োজন।

জুলাই সনদের সঠিক বাস্তবায়ন নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে কিছু মতদ্বৈধ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তবে জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে দলগুলো শেষ পর্যন্ত একমত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন স্পিকার। দেশের বড় রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে প্রয়োজনীয় সমঝোতা তৈরি হলে সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন।

বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায়, তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে সমমর্যাদা, পারস্পরিক সম্মান ও সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের ভিত্তিতে।

প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হলে সংসদের আগামী অধিবেশনেই প্রয়োজনীয় সংবিধান সংশোধন ও আইন প্রণয়নের পথ তৈরি হতে পারে বলে জানান তিনি। রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংসদীয় প্রক্রিয়াকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করার কথাও তাঁর বক্তব্যে গুরুত্ব পায়। ভ রত র সঙ গ ব সম্পর্ক এবং দেশের অভ্যন্তরীণ সংস্কার—দুই ক্ষেত্রেই জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা তিনি তুলে ধরেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে এই মতবিনিময়কালে ভোলা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর, জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান এবং পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলাম কাওসার উপস্থিত ছিলেন।

প্রশ্নোত্তর

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে স্পিকারের মূল বক্তব্য কী?

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক চায়, কিন্তু সেটি হতে হবে সমমর্যাদা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে।

কোন বিষয়গুলো নিয়ে তিনি অসন্তোষের কথা বলেছেন?

প্রতীত সরকারের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে আশ্রয় দেওয়া ও রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া এবং ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ না জানানোর বিষয়গুলো তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে তাঁর প্রত্যাশা কী?

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জাতীয় স্বার্থে ঐকমত্য তৈরি হলে সংসদের আগামী অধিবেশনে প্রয়োজনীয় সংবিধান সংশোধন ও আইন প্রণয়ন সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ভ রত র সঙ গ ব ল?

ভ রত র সঙ গ ব ল is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ভ রত র সঙ গ ব ল matter?

ভ রত র সঙ গ ব ল matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.