বেনজীরকে দেশে ফেরাতে দুবাইয়ে প্রতিনিধি দল
বেনজীরকে দেশে ফেরাতে দুবাইয়ে প্রতিনিধি দল
Banglabeacon.com – ব নজ রক দ শ ফ র - বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল দুবাইতে উপস্থিত হয়েছে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে। দুবাইয়ের আদালতে বেনজীরের জামিন আবেদন এবং প্রত্যর্পণ নিয়ে শুনানি শুরু হয়েছিল, কিন্তু সেটি মুলতবি করে দেওয়া হয়েছে। আগামী ১০-১৫ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার দুবাই কোর্ট অব আপিলে বেনজীরের আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। সাথে সাথে বাংলাদেশ থেকে আসা প্রতিনিধি দল তাকে দেশে ফেরত দেওয়ার জন্য আলাদা আবেদন জমা দেয়। আদালত উভয় আবেদনের নথিপত্র যাচাই করার জন্য সময় নেয়। বাংলাদেশ থেকে কমপক্ষে পাঁচ সদস্যের একটি দল দুবাইয়ে উপস্থিত হয়েছে। দলে এনসিবি বা ইন্টারপোলের কর্মকর্তার নেতৃত্বে পুলিশ সদর দপ্তরের তিন এবং দুটি গোয়েন্দা সংস্থার দুই সদস্য রয়েছেন।
আইনি প্রক্রিয়া ও আদালতের কাজ
দুবাইয়ের আইনি প্রক্রিয়া অনুসারে গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে প্রথম দুবাই পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়। এরপর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাকে পাবলিক প্রসিকিউশনে পাঠানো হয়। সেখানে অভিযোগপত্রের বৈধতা ও অভিযোগকারী রাষ্ট্রের নথিপত্র যাচাই করা হয়। পরবর্তীতে মামলাটি কোর্ট অব আপিলে চলে যায়। আপিল আদালতে রায় প্রদান করলে সর্বোচ্চ আদালত কোর্ট অব ক্যাসেশনে আপিল করা যায়। জামিনের ক্ষেত্রে অভিযুক্তের পাসপোর্ট জব্দ করা হয়।
দুবাইয়ের কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানা গেছে, প্রত্যর্পণের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিচার মন্ত্রণালয়। তাদের অনুমোদন পাওয়ার পরই প্রত্যর্পণ কার্যকর হয়। বাংলাদেশের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রত্যর্পণ চুক্তি না থাকায় প্রক্রিয়াটি কূটনৈতিক ও আইনি উভয় চ্যানেলে চলছে।
বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে বর্তমানে ছয়টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের একটি মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। বাকি পাঁচটি মামলার তদন্ত চলছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, বেনজীরকে ফেরানোর বিষয়টি মূলত চারটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আদালত দেখবে- বেনজীরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ দুবাইয়ের আইনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় কিনা, অভিযোগটি রাজনৈতিক নাকি অপরাধমূলক, বাংলাদেশের কাগজপত্র যথাযথ কিনা এবং তার গোল্ড কার্ড বা বিনিয়োগকারীর মর্যাদা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গোল্ড কার্ড