Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

বৃষ্টি ও উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে

Published July 14, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Taylor - banglabeacon.com

Foto : John Taylor - banglabeacon.com

বৃষ্টি ও উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে

Banglabeacon.com – ব ষ ট ও উজ ন র এ আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ৬টায় তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে, যার ফলে লালমনিরহাটের ডালিয়া ব্যারেজ পয়েন্টে নদীপাড়ের এলাকা আক্রান্ত হয়েছে। প্রতিবেশী অঞ্চলগুলোতে দীর্ঘকালীন বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জলস্তর স্থায়ী ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা স্থানীয় মানুষের জীবন ও জীবিকা উপরে চাপ ফেলেছে। তিস্তা নদী ও তার তীরবর্তী এলাকা প্রতি সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং বন্যা আশঙ্কা বৃদ্ধি পেয়েছে। সংবাদ স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়েছে যে পরিস্থিতি আরও খুব আশংকাজনক হতে পারে।

নদীর স্তর ও প্রভাবের বিশ্লেষণ

তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে এবং এখন স্থানীয় গাছপালা ও বাড়িগুলো জলে ডুবে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্দিষ্ট করেছে যে ডালিয়া ব্যারেজ পয়েন্টে স্তরটি বিপদের কাছাকাছি পৌঁছেছে, যা দুর্ভাগ্যজনকভাবে কয়েকটি বাসস্থানের মুখোমুখি বিপর্যয় ঘটাচ্ছে। তিস্তার পানি ও উজান থেকে আসা জলের কারণে ক্ষেত্রে নিম্ন এলাকাগুলোতে প্লাবনের আশঙ্কা বাড়ছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উত্তরাঞ্চলের চারটি জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা আশঙ্কা রয়েছে। এগুলো হলো: লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী ও কুড়িগ্রাম।

তিস্তার জলস্তর বৃদ্ধি হওয়ার কারণ হিসেবে বৃষ্টি এবং উজানের ঢল নিয়ে কথা বলা হয়। বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র বলেছে যে এই অবস্থা প্রায় সর্বত্র বিপর্যয় ঘটাতে পারে। তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করার পর স্থানীয় প্রশাসন প্রতিবেশী এলাকার মানুষকে সতর্ক করেছে এবং সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে। আজ থেকে সমস্ত প্রভাবিত এলাকায় নিয়মিত পর্যবেক্ষণ চালু করা হয়েছে, যাতে জনগণের সুরক্ষা বজায় রাখা সম্ভব হয়।

বন্যা পরিস্থিতি ও সাবেকি সমাধান

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার রায় বলেছেন, আমরা এখন বিপদের কাছাকাছি আছি এবং সঠিক পদক্ষেপ না নেওয়া হলে অবিস্মরণীয় ক্ষতি হতে পারে। তিস্তা নদীর পানি উজান থেকে আসা জল এবং বৃষ্টি থেকে আসা পানি মিশে গিয়ে এই অবস্থা ঘটেছে। তিনি আরও বলেছেন যে প্রয়োজন ছাড়া কাউকে নদীতে না নামার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় বিভিন্ন কর্মসূচি চালু করা হয়েছে যাতে প্রতিবেশী মানুষ সুরক্ষিত থাকতে পারে।

বন্যা পরিস্থিতি বাড়তে থাকলে সরাসরি জনজীবন উপরে চাপ ফেলতে পারে। প্রাথমিক আশঙ্কার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের দুটি জাল বিস্তার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো: পানি স্তর নিয়ন্ত্রণের জন্য জাল প্রস্তুতি এবং স্থানীয় মানুষের ক্ষেত্রে নিরা�