বাস্তব অবাস্তব পৃথিবীর মাঝে কোনো সীমারেখা দেখি না :: হারুকি মুরাকামি | সংবাদ
বাস্তব অবাস্তব পৃথিবী :: হারুকি মুরাকামি | সংবাদ
Banglabeacon.com – ব স তব অব স তব প - বাস্তব অবাস্তব পৃথিবী এবং কাল্পনিক বাস্তবতার মধ্যে সীমারেখা আর নেই। হারুকি মুরাকামি এই মাধ্যমে সাহিত্য সম্পর্কে নতুন ধারণা তৈরি করেছেন। তিনি নোবেল পুরস্কারের সাক্ষর লিস্টে সাধারণত অন্তর্ভুক্ত হন, কিন্তু তাঁর সম্পূর্ণ গুরুত্ব এখনও আলোচনার বাইরে রয়েছে। দি নিউইয়র্ক টাইমস দ্বারা ২০১৯ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে তাঁর চিন্তার বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছে। সাক্ষাতকারটি করেছিলেন মার্কিন লেখক এবং ফিকশন এডিটর ডেবোরাহ ট্রিয়েজম্যান।
সংস্কৃতি ও সাহিত্যের মিশ্রণ
বাস্তব অবাস্তব পৃথিবী কিছু কথা বলতে গেলে সাহিত্য এবং সংস্কৃতির সম্পর্ক চিহ্নিত করা যেতে পারে। মুরাকামি বলেছেন, তাঁর উপন্যাসগুলি সাধারণত মানুষের চিন্তার দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধরনের মধ্যে প্রবাহিত হয়। একটি কোনো বয়সে আপনি ভদ্রলোক হিসেবে চিহ্নিত হন না, কিন্তু বাস্তব অবাস্তব পৃথিবী তাঁর মনে করে যে ভদ্রলোকের চরিত্র রচনা করা হয়। সেই কথোপকথনে তিনি বলেছেন, বাস্তব অবাস্তব বিষয়টি আপনার চিন্তার ধরনের বদলে আসে। তরুণ বয়সে আপনি কিছু চিন্তা করতেন, কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে তা বদলে যায়।
অপেক্ষা করা প্রক্রিয়া
বাস্তব অবাস্তব পৃথিবী রচনার প্রক্রিয়া নিয়ে মুরাকামি একটি প্রকৃত কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, সাহিত্য রচনা করার সময় তিনি কোনো কর্মপ্রণালী অনুসরণ করেন না। একটি উপন্যাস রচনা করার জন্য তিনি কিছু বা দুটি অনুচ্ছেদ লিখেন। পরে দুই মাস বা তিন মাস পর তিনি তার সাহিত্য কর্মের সংগঠন করেন। এই সময়ে তিনি বাস্তব অবাস্তব পৃথিবী কিছু বলেন।
ডেবোরাহ ট্রিয়েজম্যান: আপনার উপন্যাসে একটি চরিত্র আছে—মুজার্ট অপেক্ষার নায়ক ডন জিওভানি। কিলিং কমেন্ডেটর উপন্যাসের সংগঠন কীভাবে হয়েছে সেটি আপনি ব্যাখ্যা করতে পারেন? হারুকি মুরাকামি: আপনি জানেন, এটি একটি বৃহৎ উপন্যাস। রচনা করতে আমার দেড় বছরের বেশি সময় লাগে। শুরু হয়েছিলো এক বা দুটি অনুচ্ছেদ দিয়ে। দুটি অনুচ্ছেদ লেখার পর তা আমি ডেস্কের ড্রয়ারে রেখে দিই এবং এ লেখা সম্পর্কে আমি ভুলে যাই। এরপর তিন কিংবা ছয় মাস পর আমার চিন্তায় আসে সেই বিষয়টি। মনে হয় সেই দুই অনুচ্ছেদকে একটি উপন্যাসে রূপ দেয়া সম্ভব। তখন আমি লেখা শুরু করেছি। এর জন্য কোনো নির্ধারিত সময় কিংবা পরিকল্পনা ছিলো না। কেবলমাত্র লেখিত দুই অনুচ্ছেদের ওপর ভিত্তি করেই লিখতে শুরু করি। গল্পটি আমাকে শেষ পর্যন্ত টেনে নিয়ে গেছে।
সাক্ষাৎকারে মুরাকামি পরিচিতি কিছু ব