বাজেটে লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে ৭ শতাংশ, বাজারে মূল্যস্ফীতি পৌনে ১০ ছুঁইছুঁই | সংবাদ
Banglabeacon.com – ব জ ট লক ষ যম ত – আসন্ন ২০২৬ – ২৭ অর্থবছরের জন্য সরকার মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য ধরেছে সাড়ে ৭ শতাংশে। এই লক্ষ্য সাধনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সময়ে সাধারণ মানুষের পকেটে বাস্তবতা বাড়ছে এবং তা আরও তীব্র হয়ে উঠছে। সাধারণ মানুষের উদ্বেগের মূল খাদ্য মূল্যস্ফীতি। মে মাসে দেখা গেছে এপ্রিলের ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ থেকে মূল্যস্ফীতি লাফিয়ে এসেছে ৯ দশমিক শূন্য ছয় শতাংশে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী সার্বিক মূল্যস্ফীতি গত ষোলো মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। খসড়া বাজেট বিশ্লেষণে দেখা যায় আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে পেশ হতে যাচ্ছে ২০২৬ – ২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট। এই বাজেটের আয় ও ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা যথেষ্ট বেড়েছে এবং মূল্যস্ফীতি কমানোর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
মূল্যস্ফীতি লক্ষ্য এবং সংকট
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘সরকার যে লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে তা বাস্তবায়ন করতে পারবে না। এর নমুনা এখনই দেখা যাচ্ছে। কারণ, মূল্যস্ফীতি কমছে না বরং বাড়ছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি নির্ধারণী সুদের হার বাড়িয়ে টাকার প্রবাহ সচল রাখছে বাজার।’
‘সরকার যে লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে তা বাস্তবায়ন করতে পারবে না। এর নমুনা এখনই দেখা যাচ্ছে। কারণ, মূল্যস্ফীতি কমছে না বরং বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক যে নীতি গ্রহণ করছে তাতে মূল্যস্ফীতি কমা সম্ভব নয়। আমি দায়িত্বে থাকার সময় সবকিছু গুছিয়ে নিয়েছিলাম। মূল্যস্ফীতি কমতে শুরু করেছিল। এখন আবার আগের জায়গায় চলে গেছে।’
খাদ্য বহির্ভূত খাতের মূল্যস্ফীতি পরিস্থিতি আরও জটিল করেছে। মে মাসে এই খাতে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ। সাধারণ মানুষ যাতায়াত, বাসা ভাড়া, চিকিৎসা ও শিক্ষার খরচ মিটাতে গিয়ে সীমিত আয়ের মানুষ এখন দিশেহারা। বাজারে চলমান অস্থিরতার পেছনে বৈশ্বিক পরিস্থিতি ছাড়াও অভ্যন্তরীণ কিছু নীতিগত সিদ্ধান্ত ও কাঠামোগত দুর্বলতা বড় ভূমিকা রাখছে।
শক্তি ও জ্বালানি খাতে বাজারে বৃদ্ধি পেয়েছে দাম। এই খরচ বৃদ্ধির কা�
