Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

বাঁধের ১২ স্থানে ধস, শঙ্কায় ৩০ হাজার মানুষ

Published July 13, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Taylor - banglabeacon.com

Foto : John Taylor - banglabeacon.com

বাঁধের ১২ স্থানে ধস, শঙ্কায় ৩০ হাজার মানুষ

Banglabeacon.com – ব ধ র ১২ স থ ন - গত দুই দিন দীর্ঘ সময়ব্যাপী বৃষ্টি ও উজানের কারণে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সড়কে ধস ঘটেছে। বাঁধের অন্তত ১২টি স্থান ধসে যাওয়ায় সড়কের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে কয়েকটি গ্রাম ও হাটবাজার পানিবন্দি হওয়ার আশঙ্কায় মানুষ দিন কাটাচ্ছেন।

পরিস্থিতি কি রকম হচ্ছে?

তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধির কারণে এবং অব্যাহত বৃষ্টির জন্য বাঁধের বিভিন্ন অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছে। এতে সড়কের কয়েকটি অংশ ধসে যাওয়ায় নদী তীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে আসে।

“বাঁধ যেভাবে ধসে গেছে তাতে এই সড়ক দিয়ে আর যাতায়াত করা যাচ্ছে না। বৃষ্টি ও উজানের পানি যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে আমরা খুব আতঙ্কে আছি। ধসে যাওয়া স্থানগুলো দ্রুত মেরামত করা না হলে গ্রামকে গ্রাম পানিতে ভেসে যাবে। ফসলি জমি ও ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হবে।”

স্থানীয় কর্মকর্তাদের উদাসীনতার অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শরিফুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। অফিসে গিয়েও কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি।

“গত বুধ ও বৃহস্পতিবারের টানা বৃষ্টিতে বাঁধের সড়কের বেশ কয়েকটি স্থানে বড় বড় ধস ঘটেছে। এতে সাধারণ মানুষের চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি আর সামান্য বাড়লেই লোকালয়ে পানি ঢুকবে। ফলে ইউনিয়নের বাকি অংশ প্লাবিত হয়ে নতুন করে ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হবে। ডুবে যাবে ফসলি জমি এবং গবাদিপশু নিয়ে মানুষ চরম বিপাকে পড়বে।”

শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. পলাশ মিয়া বলেন, “বাঁধটি ইউনিয়নের প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। বর্তমানে কমপক্ষে ১২টি স্থানে ধস দেখা দিয়েছে। চাপড়া, পুটিমারী, কুরুয়ার বাজার ও বাবুর বাজারসহ অন্তত ১০টি গ্রাম ও কয়েকটি হাটবাজার প্লাবিত হবে। বিষয়টি ইতিমধ্য