Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ফি দিতে দেরি, পরীক্ষা হল থেকে ছাত্রকে ‘গলাধাক্কা’

Published July 13, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Patricia Jackson - banglabeacon.com

Foto : Patricia Jackson - banglabeacon.com

ফি দিতে দেরি, পরীক্ষা হল থেকে ছাত্রকে ‘গলাধাক্কা’

Banglabeacon.com – ফ দ ত দ র পর ক - ফি দিতে দেরি ও পরীক্ষা হল থেকে ছাত্রকে বের করার ঘটনাটি সামাজিক চক্রান্তে পৌঁছেছে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বিআরএকেএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। গত বৃহস্পতিবার ঘটে এই ঘটনা এবং রোববার (১২ জুলাই) তার অভিযোগ সার্বিক আলোচনার বিষয়ে হয়ে উঠেছে। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা সময় ফি দিতে দেরি বৃদ্ধি পেয়েছে কারণ শিক্ষার্থীদের অসুবিধা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা প্রক্রিয়াও স্থগিত হয়েছে।

পরীক্ষা ফি দেয়ার কথা ছিল কিন্তু দেরি হয়েছিল

অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র রাফিন হোসেন পরীক্ষা হল থেকে বের করার অভিযোগে আবার কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরেছিল। তার পরিবারের মতোন কর্তৃপক্ষ অভিভাবক চঞ্চল হোসেন বলেছেন, পারিবারিক ঝামেলার কারণে ফি দিতে সামান্য দেরি হয়েছিল। তবে তার সন্তানকে এমন অমানবিক আচরণে শিক্ষা দেওয়া হয়েছিল যে তা বিশেষ করে পরীক্ষা হল থেকে তাকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। এ ঘটনার পর রাফিনকে সরাসরি প্রধান শিক্ষক জামিরুল ইসলামের কক্ষে পাঠানো হয়। সেখানে তার পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয় না এবং ফি ছাড়া কোনোভাবেই পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে না বলে তিনি সাফ জানিয়েছেন।

মহেশপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদ খান বলেছেন, “কোনো শিক্ষার্থীকে পরীক্ষা হল থেকে বের করে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এটি সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত কাজ।” তিনি পরীক্ষা ফি দিতে দেরি করে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ বৃদ্ধির কারণ হিসেবে তা উল্লেখ করেছেন। তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন। এ বিষয়ে তিনি পরীক্ষা হল থেকে ছাত্রকে বের করার সুযোগ প্রসঙ্গে আইনের স্পর্শ প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেছেন।

পরীক্ষা দিতে দেরি করার পেছনে কারণ কী?

বিশেষ করে পরীক্ষা ফি দিতে দেরি করার পেছনে প্রধান শিক্ষক জামিরুল ইসলামের নিয়ম স্থাপনের কারণ অনুসন্ধান চলছে। কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছেন যে পরীক্ষা হল থেকে ছাত্রদের বের করার সিদ্ধান্ত ফি দিতে দেরি হওয়ার কারণে গ্রহণ করা হয়েছে। পরীক্ষা ফি দেয়ার কথা ছিল কিন্তু তার সময় না আসার কারণে ছাত্রটি পরীক্ষা হল থেকে বের করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিআরএকেএস বিদ্যালয়ের প্রক্রিয়া কী ছিল তা আরও বিস্তারিত করা হয়েছে।

রাফিন হোসেন পরীক্ষা ফি দিতে দেরি করেছিলেন কারণ তার পরিবারের অর্থ সমস্যা ছিল। সহকারী শিক্ষিকা শাহনাজ পারভীন তাকে ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষার সময় বার বার অনুরোধ করে ফি পরিশোধ করবে বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু এ দেরি কারণে তাকে পরীক্ষা হল থেকে বের করে দেওয়া হয়। স্কুলের নিয়মানুযায়ী ফি দিতে দেরি কারণে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয় না বলে তার পরিবারের কাছে আবেদন করা হয়।

বিদ্যালয়ের অভিযোগ অনুযায়ী পরীক্ষ