Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ফিদেল কাস্ত্রো, চে গুয়েভেরার রাজনৈতিক দর্শন এবং আমাদের গন্তব্য

Published July 17, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Michael Brown - banglabeacon.com

Foto : Michael Brown - banglabeacon.com

ফিদেল কাস্ত্রো, চে গুয়েভেরার রাজনৈতিক দর্শন এবং আমাদের গন্তব্য

Banglabeacon.com – ফ দ ল ক স ত র - যারা মানুষের আচরণের সংস্কৃতি নিয়ে কৌতূহলী এবং মনোযোগী তারা অবশ্যই দেখে থাকবেন, স্বাভাবিক কথা মালায় আমাদের স্বর প্রায় উঁচু হয়ে আসছে। সমাজে বিভেদ বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রতিহিংসা এবং সমতার আকার বেড়ে যাচ্ছে। মানুষের স্বাভাবিক স্বর অস্বাভাবিক ভাবে উচ্চতর স্তরে উঠতে থাকে। কণ্ঠস্বর আক্রমনাত্মক হয়ে যাচ্ছে এবং আমাদের সাংস্কৃতিক যোগাযোগে কিছুটা উচ্চস্বরে যোগাযোগ একটি বাঙালি স্বভাব।

ষাটের দশকে জন্ম হয়েছিল আন্দোলন, অভূত্থান এবং যুদ্ধ। এ সময়ে আমরা বড় হয়েছি একটি ঐতিহাসিক সমাজ আন্দোলনের আশ্চর্য শিক্ষা অনুভব করেছি। মহান নেতাদের কথা শুনেছি যারা সামাজিক সম্পর্কে উচ্চারিত রসসিক্ত এবং ব্যঙ্গাত্মক বক্তব্য শুনেছি। তাদের বক্তৃতায় কোনও সুক্ষ বা স্থুল অশ্লীলতার ইঙ্গিত পাইনি।

ফরাসী বিপ্লব থেকে শুরু করে বিশ্বখ্যাত বিপ্লবীদের কথাও শুনেছি। অনেকেই বলে থাকেন ফিদেল কাস্ত্রো এবং চে গুয়েভেরা অশ্লীল শব্দাবলীর চর্চা করে যেতেন নিয়মিত। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি আমরা তাদের মতো গড়ে তুলছি।

অশালীন শব্দের অধিকতর ব্যবহার বক্তব্যকে ক্ষমতায়িত করে বলে অনেকে মনে করেন। অশ্লীল শব্দ ব্যবহারের পেছনে যুক্তির কোনও অভাব নেই। যারা সমাজের জ্ঞানী মানুষ হিসেবে পরিচিত তারা নৈতিকতার দেয়ালকে ভাঙ্গার জন্য উৎসাহ প্রদান করছেন। নেতৃত্বের আসন থেকে 'অশ্লীলতা বৈধ' বার্তা ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে, যা পরবর্তী প্রজন্ম এবং সমাজকে গভীর অন্ধকারে ঠেলে দেবে গবেষণা না করেই।

যারা গন্তব্যের জন্য মঞ্চে দাঁড়িয়ে কথা বলে থাকেন তারা নিশ্চয় জানেন যে আক্রমনাত্মক যোগাযোগ প্রতিহিংসাকে বাড়িয়ে দেয় এবং রাজনৈতিক সভায় সকল শ্রেণীপেশার মানুষের অন্তর্ভুক্তি সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির কথা নিয়ত শুনে থাকি বর্তমান সময়ে।

যারা অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্রে কথা বলে থাকেন তারা নিশ্চয় জানেন যে সামাজিক অভিভাবকদের নির্লিপ্ততা, এড়িয়ে যাওয়া এবং উদাসীনতার দায় কিংবা জবাবদিহিতা সামগ্রিক প্রতিক্রিয়া বহন করতে হবে। বাংলা ভাষার হাজার বছরের ইতিহাসে এরকম অস্বাভাবিক বাঁক বদলের নজির কখনো দেখা যায়নি।

নারীদের উদ্দেশ্যে অশ্লীল শব্দ এবং বাক্য গুলো ব্যবহৃত হচ্ছে সরা�