Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

নাব্য সংকট ও দূষণে বিপন্ন মৎস্যসম্পদ

Published June 15, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mark Hernandez - banglabeacon.com

Foto : Mark Hernandez - banglabeacon.com

মৎস্যসম্পদ বিপন্ন হচ্ছে নাব্য সংকট ও দূষণের কারণে

Banglabeacon.com – ন ব য স কট ও দ - নাব্য সংকট ও দূষণে মৎস্যসম্পদ ধ্বংসের দিনগুলি বাস্তব হচ্ছে বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার খোয়াই, সুতাং ও করাঙ্গী এলাকায়। এখানে বিভিন্ন নদী, খাল ও নালার পানির মাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশীয় মাছের প্রজাতি ক্ষীণতর হয়ে আসছে। এতে জলাশয়গুলি দেশীয় মৎস্য ভাণ্ডার থেকে বিপর্যস্ত হয়েছে যা আগে মানুষের দৈনন্দিন খাদ্য সংক্রান্ত জীবিকার জন্য স্থায়ী সম্পদ ছিল।

জলাশয়গুলোর সমস্যা ও প্রজাতি ক্ষয়

প্রাকৃতিক অবস্থায় চুনারুঘাট এলাকার পাহাড়ি ছড়াগুলি নদী, খাল ও নালায় নানা দেশীয় মাছের প্রাকৃতিক আবাসন ছিল। তবে সময়ের সাথে সাথে জলাশয় ভরাট হওয়া ও নাব্য সংকট ও দূষণের কারণে এই প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস হয়ে আসছে। জলের মাত্রা কমে যাওয়ায় মাছের প্রজনন ক্ষমতা কমে এবং সাধারণ মানুষের হাতে অনেকগুলো প্রজাতি হারিয়ে যেতে বসেছে।

নানা প্রজাতির মাছ যেমন রুই, কাতলা, মৃগেল, বোয়াল, শোল, কই, মাগুর, শিং, পাবদা, টাকি ও বাইমস বর্তমানে মার্কেটে অস্থায়ী স্থান পেয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নাব্য সংকট ও দূষণের কারণে জলাশয়ে নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার এবং কীটনাশকের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এগুলো বাস্তব কর্মকর্তাদের মতে মৎস্যসম্পদ বিপন্নতার প্রধান কারণ।

বিপন্নতার কারণগুলো

নাব্য সংকট ও দূষণ এই সংকটের প্রধান চালক বলে মনে করা হচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, খাল-নালায় অতিরিক্ত কচুরিপানা এবং ময়লা-আবর্জনা ফেলায় প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। তাদের অভিযোগ অনুসারে, বর্জ্য বাড়ার সাথে সাথে মাছের জন্ম ও বিপন্নতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

“নাব্য সংকট ও দূষণে জলাশয়গুলি প্রাকৃতিক মৎস্য ভাণ্ডার থেকে বিপর্যস্ত হয়েছে। নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার, কীটনাশক প্রয়োগ, বর্জ্য ফেলার কারণে মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে,” বলেছেন চুনারুঘাট উপজেলার সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. নুরে আলম সিদ্দিকী। তিনি বলেন যে এ ক্ষেত্রে নাব্য সংকট ও দূষণের প্রতিকার করতে হবে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ।

প্রাকৃতিক মৎস্য সম্পদ ধ্বংসের কারণে প্রজাতি হ্রাস

বর্তমান