Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

নানক-তাপসসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

Published June 15, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Susan Brown - banglabeacon.com

Foto : Susan Brown - banglabeacon.com

আজ সোমবার (১৫ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে ন নক ত পসসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ মামলা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর মোহাম্মদপুরে হত্যার ঘটনায় গঠিত হয়েছে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলা যেখানে সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সহযোগিতায় অপরাধের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্যগুলি সংগ্রহ করা হচ্ছে।

Banglabeacon.com – ন নক ত পসসহ ২৮ আস ম - এ মামলার প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে আজ প্রথম প্রসিকিউশন প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে এবং তারপরে সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম চালু হবে। গত ৮ জুন কার্যক্রম শুরু হওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল, কিন্তু ডিফেন্স আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো এর মৃত্যুর কারণে একদিনের জন্য সেটি স্থগিত করেছিল ট্রাইব্যুনাল। এখন পর্যন্ত কারাগারে রয়েছেন চার আসামি যারা মোহাম্মদপুর থানার সদস্য ছিলেন।

মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের গুরুত্ব ও প্রক্রিয়া

ন নক ত পসসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম একটি প্রতিশ্রুতি-পূর্ণ পদক্ষেপ হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হচ্ছে। এই পদক্ষেপটি তদন্বন প্রক্রিয়ার মূল অংশ হিসাবে কাজ করে আসছে এবং সরাসরি আসামির প্রতি যাচাইবাজাই করতে সহায়তা করছে। বিচারপতি মজুমদারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্যগুলি তুলে ধরার প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ অপরাধের প্রকৃতি ও সত্যিকার সংঘটনের ঘটনা বিশ্লেষণে সহায়তা করবে। বিচারপতির নেতৃত্বে সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রমটি সম্পন্ন হওয়ার পর প্রসিকিউশন পক্ষের মূল অভিযোগের মূল প্রমাণ সংগ্রহ করা হবে।

আসামি ও তাদের ভূমিকা

এই মামলার আসামি হিসাবে নানক তাপসসহ চার ব্যক্তি সরাসরি আসামি হিসাবে স্বীকৃত। তাদের মধ্যে রয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখার সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহসভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক ও ফজলে রাব্বি। পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন তৎকালীন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অ্যাডিশনাল ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, এডিসি রওশুনুল হক, এমএ সাত্তার, তোফায়েল, তারেকুজ্জামান, আরিফুর রহমান তুহিন, আহাদ হোসাইন, সামনের আসামি মোহাম্মদ সাদেক ও নূরুল হক প্রমুখ। এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রমটি প্রায় সাত ঘণ্টা ব্যাপী সম্পন্ন হয়েছে।

নানক তাপস কর্তৃক প্রস্তুত করা হয়েছে প্রথম প্রসিকিউশন প্রতিবেদন। সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রমের মাধ্যমে তদন্বন প্রক্রিয়ার কার্যত এটি সম্পূর্ণ নতুন ধারা বিস্তার করে দিচ্ছে। নানক তাপসসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসাবে পরিচিত। এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রমটি তদন্বন কর্মকর্তাদের প্রতি সত্যিকার যাচাই করতে সহায়তা করছে। আসামির ভূমিকা ও সাক্ষ্য সংগ্রহের সময় বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা দেখা গেছে।

সাক্ষ্যগ্রহণের চালান ও অপেক্ষিত বিষয়গুলি

নানক তাপসসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহ