Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

দু’টি চোখের কাব্য

Published July 16, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Taylor - banglabeacon.com

Foto : John Taylor - banglabeacon.com

দু’টি চোখের কাব্য

প্রথম প্রস্থান আর প্রথম অনুভূতি

Banglabeacon.com – দ ট চ খ র ক ব - দু’টি চোখের কাব্য বলতে মনে হয় সেই দুটি চোখে তৈরি হয়েছে একটি বিশেষ অভিজ্ঞতা। ঢাকা থেকে কলকাতায় আসার দুই দিন পর তিন জন আমাদের প্রথম সফরে মেমারিতে হাওড়া হয়ে গেল। এখানে ঢাকা রেস্টুরেন্টে দুপুরে খাওয়া হল যেখানে ভাত, সবজি, চিংড়ি ভর্তা আর ডাল সারলাম পার্ক স্ট্রীটে অবস্থিত। দুই জনের জন্য সেই রেস্টুরেন্টটি একটি ক্লাস সংস্থান হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে দু’টি চোখের কাব্য বিষয়টি আমাদের মনে ভাবনার আকর্ষণ সৃষ্টি করেছিল।

নিউমার্কেটের আগমন আর ঝংকারের গভীরতা

দুপুরে ছাড়া যাওয়ার আগে আমরা পায়দলে নিউমার্কেটে গেলাম। ক্লক টাওয়ারের সামনে স্যুট এন্ড বুট দোকানটি খুঁজে পেলাম যেখানে শাহীন একজন সাথী বাঙালি লোকেশনের পরিচয় নিয়ে এসেছিলেন। সেলস এবং গার্ল দুই জন কসমেটিকস দোকানের দুই মেয়ে প্রতিদিনের একটি অনুভূতি ছড়িয়ে দিচ্ছে তাদের সুরেলা ঝংকারের মাঝে। দু’টি চোখের কাব্য বলতে আমাদের কাছে একটি অদ্ভুত গভীর দৃষ্টি ছড়িয়ে দিয়েছে তাদের পরিচয়ের মাঝে।

“আমি মালিক বোম্বাইয়া। নাদুস-নুদুস ফর্সা চেহারা রাখেন।”

আমাদের সাথে সে ছোট্ট দোকানটি নিয়ে বললেন, সে যেন গোছানো মালিক দেখে যাওয়ার জন্য আবার একটি ছন্দোময় সঞ্চালন বিনিময়ে দু’টি চোখের কাব্য তৈরি করে দিয়েছিলেন। রায়েনার পছন্দ করা সুদৃশ্য প্যাকেট নিয়ে বেশি দূরত্বে দাঁড়িয়ে কিছু কেনাকাটা করতে থাকলাম। দু’টি চোখের কাব্য বিষয়টি আমার মনে ভাবনার আকর্ষণ সৃষ্টি করেছিল তাদের কাজলটানা চোখের দৃষ্টি দেখে।

সুরেলা ঝংকারের মাঝে একটি নির্দিষ্ট সঞ্চালন

ক্লান্তিবিহীন হলেও শাহীন বলেছিলেন, গত তিন দিনের ঝটিকা সফরে একটি দেখা বোম্বাইয়া মালিক ও ক্লাসিক সুরেলা ঝংকারে ক্রেতাদের মনে ক্ষীণকায় নারীর সাথে একটি ক্ষীণ সংকট ছড়িয়ে দিচ্ছে। আবার নিউমার্কেটে আগত কিছু ক্রেতা এর সাথে মুখস্থ করে দাঁড়ানো মেয়েটির লম্বা কাজলটানা চোখের গভীর দৃষ্টি আমাদের কাছে একটি বিষয়। দু’টি চোখের কাব্য ছাড়া কিছু কাজ সম্পন্ন হতে পারে না যেহেতু তার মাঝে আমাদের মনে অদ্ভুত সংঘটন ঘটেছিল।

ফিরে আসার পথে রায়েনার পছন্দ করা সুদৃশ্য প্যাকেট নিয়ে বেশি দূরত্বে দাঁড়িয়ে কিছু কেনাকাটা করতে থাকলাম। আমার মনে করে ওই দুটি চোখের মনির সুশ্রী কাজ চালাচ্ছে প্রতিদিনের একটি গভীর দৃষ্টি। যেখানে আমাদের জন্য সেজে গুঁজে একটি রায়েনা নিকষিত কাল চোখের সঞ্চালন। দু’টি চোখের কাব্য ছাড়া কেনাকাটা করা সম্ভব হয় না যেহেতু এ সময় সে আমাদের কাছে একটি অনন্য বিষয় হিসেবে পরিচিত হয়েছিল।

রাতের খাবার সাড়ে নটায় মার্কেটে বন্ধ হওয়ার কারণে শাহীন বলেছিলেন, মার্কেট নটায় বন্ধ হয়। আমরা তিনজন পর দিন হাওড়া থেকে ফিরে আসছি। কিন্তু কেন কিনলাম এ জবাবটা নিজের কাছে পেলাম না। দু’টি চোখের কাব্য একটি মালিক দ্বারা সম্পন্ন হয়েছিল যে কারণে আমাদের সেটি একটি অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হিসেবে বিবেচিত �