Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

দক্ষিণাঞ্চলে নতুন দিগন্ত: চীন মৈত্রী সেতুর চুক্তি

Published June 12, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Williams - banglabeacon.com

Foto : John Williams - banglabeacon.com

দক্ষিণাঞ্চলে নতুন দিগন্ত: চীন মৈত্রী সেতুর চুক্তি

Banglabeacon.com – দক ষ ণ ঞ চল নত ন - ৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের জন্য দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে সড়� পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্মসচিব ড. মো. মোকছেদ আলী এবং চীনের পক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের কাউন্সেলর মি. সং ইয়াং স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত মি. ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্পের স্থাপন স্থান ও প্রকৃতি

৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুটি পটুয়াখালী জেলার লেবুখালী–বাউফল–গলাচিপা–আমড়াগাছিয়া জেলা মহাসড়কের ১৪তম কিলোমিটারে লোহালিয়া নদীর উপর স্থাপন করা হবে। এর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ২.৬২ কিলোমিটার। এই সেতুর মূল অংশ প্রায় ১.৩৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ হবে এবং সংযোগ সড়ক প্রায় ১.২৭২ কিলোমিটার হবে।

অর্থায়ন ও ব্যয় বহনের দায়িত্ব

প্রকল্পের জন্য চীন সরকার মূল সেতু ও এপ্রোচ সড়ক নির্মাণে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন অনুদান সরবরাহ করবে। তদ্ব্যতিরেকে ভূমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্বে রয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে বাউফল, গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার লাখো মানুষ এবং ব্যবসায়ী বগা ফেরিঘাটের ওপর নির্ভরশীল ছিল। সেতু নির্মিত হলে এই অঞ্চলের মানুষের যাতায়াত আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হবে। কৃষি পণ্য, মৎস্যসম্পদ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনের জন্য এই সেতু নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করবে।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর চীন সরকারের মনোনীত প্রতিষ্ঠান সেতুর বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন ও চূড়ান্তকরণের কাজ শুরু হবে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর নির্মাণকাজ শুরু হবে। সেতু নির্মিত হলে দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। যাতায়াত ব্যয় ও সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং পণ্য পরিবহন সহজতর হবে। এটি কৃষি, মৎস্য, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন খাতের বিকাশে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত করবে। সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং জাতীয় অর্থনীতিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ �