ত্রিশালে চাঁদা না দেওয়ায় ২০০ গাছ কেটে সাবাড়
ত্রিশালে চাঁদা না দেওয়ায় ২০০ গাছ কেটে সাবাড়
বিধবার ওপর অত্যাচার ও হুমকির অভিযোগ
Banglabeacon.com – ত র শ ল চ দ ন - ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার আমিরাবাদী ইউনিয়নের গুজিগাঁও গ্রামে এক বিধবা নারীর ওপর চাঁদা দাবি ও অত্যাচারের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিপক্ষ পক্ষের লোকজন তাকে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দিতে বাধ্য করতে না পেরে তার বসতভিটার দুই শতাধিক গাছ কেটে ফেলেছে। শুধু গাছ কাটাই নয়, অভিযুক্তরা ওই পরিবারকে প্রাণনাশ ও সন্তান অপহরণের হুমকিও দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এই ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী আকলিমা আক্তার ও তার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন। আকলিমা বাদী হয়ে ময়মনসিংহের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (ত্রিশাল আমলী) আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
দীর্ঘদিনের চাঁদা দাবি ও অত্যাচার
মামলার এজাহার ও বাদীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গুজিগাঁও গ্রামের আঃ ছামাদ খাঁ, রত্না বেগম, আকলিমা খাতুন, সিজিলা খাতুন, তাছলিমা ও নাছিমাসহ আরও কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে আকলিমা আক্তারের পরিবারের ওপর চড়াও হয়ে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। প্রায় তিন বছর আগে আকলিমার স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি দুই সন্তান, বৃদ্ধ শ্বশুর ও প্রবাসী দেবরকে নিয়ে কোনোমতে সংসার চালিয়ে আসছেন।
আকলিমার অভিযোগ, স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকেই অভিযুক্তরা বিভিন্ন সময়ে তার জমির ফসল কেটে ক্ষতি করে আসছিল। সম্প্রতি বাড়িতে ভবন নির্মাণের সময়ও তাকে তিন লাখ টাকা দিতে বাধ্য করা হয়েছিল। সর্বশেষ গত তিন আগস্ট আবারও পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
গাছ কাটা ও হুমকির বিস্তারিত
আকলিমা ওই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা গুজিগাঁও মৌজার জমিতে থাকা আম, জাম, কাঁঠাল, বেল, জলপাইসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় দুই শতাধিক গাছ ও বাঁশঝাড় দেশি অস্ত্র দিয়ে কেটে ফেলে। মামলার আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গাছ কাটার প্রতিবাদ করলে এবং আইনি ব্যবস্থা নিলে আকলিমা ও তার সন্তানদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি তার সন্তানকে অপহরণ এবং বৃদ্ধ শ্বশুরকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখার মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে অভিযুক্তদের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগী আকলিমা আক্তার বলেন,
নিজেদের কেনা জমিতে অনেক কষ্ট করে গাছগুলো লাগিয়েছিলাম। স্বামী নেই দেখে তারা আমাদের ওপর একের পর এক অত্যাচার করছে। এখন আমার সন্তানদের মেরে ফেলার ও তুলে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। আমরা এখন প্রাণভয়ে দিন কাটাচ্ছি।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ত র শ ল চ দ ন?ত র শ ল চ দ ন is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ত র শ ল চ দ ন matter?ত র শ ল চ দ ন matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.