ডেঙ্গু প্রতিরোধসহ শিক্ষার্থীদের জন্য মাউশির নির্দেশনা
ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিতের নির্দেশ
Banglabeacon.com – ড ঙ গ প রত র ধসহ - ঢাকা মহানগরীর স্কুল ও কলেজের নির্ধারিত শিক্ষার্থীদের দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচি-২০২৬-এর উদ্বোধনী আয়োজনে উপস্থিত রাখার উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এক সভার সিদ্ধান্তের পর এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। কর্মসূচিটির উদ্বোধন হবে শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। প্রধানমন্ত্রী সেখানে ‘দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচি-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
মাউশির নির্দেশনায় ঢাকা মহানগরীর স্কুল ও কলেজগুলোর সংযুক্ত তালিকাভুক্ত শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু চিকিৎসা নয়, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করাও গুরুত্বপূর্ণ—এই বার্তা শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে আরও বিস্তৃতভাবে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হবে কর্মসূচিটিতে।
একাদশে ভর্তির আবেদনে বাড়তি সময়
এদিকে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদনের সময়ও বাড়ানো হয়েছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে না পারা শিক্ষার্থীরা পুনঃমূল্যায়নের ফলে ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নতুন সময়সূচিতে আবেদন করতে পারবে।
যারা ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনলাইনে আবেদন জমা দিতে পারেনি, তারা ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবে। সরকারি ও বেসরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণির অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ২ সেপ্টেম্বর।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের মেধাক্রম অনুসরণ করেই শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। এ ভর্তি প্রক্রিয়ায় কোনো ভর্তি পরীক্ষা রাখা হয়নি। অনলাইন আবেদন করতে ফি নির্ধারিত হয়েছে ২২০ টাকা।
ফল, নিশ্চায়ন ও ক্লাস শুরুর সময়সূচি
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। নির্বাচিতদের ভর্তি নিশ্চিতকরণ এবং সংশ্লিষ্ট পরবর্তী প্রক্রিয়া শেষ করে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কলেজে ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে। একাদশ শ্রেণির পাঠদান শুরু হওয়ার কথা ২৩ সেপ্টেম্বর।
ভর্তির যোগ্যতার ক্ষেত্রে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের বছরসহ আগের দুই বছরের উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে। বিদেশি বোর্ড থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের আগে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে তাদের সনদের সমমান নির্ধারণ করাতে হবে। এই প্রক্রিয়া শেষ হলে তারাও আবেদনের সুযোগ পাবে।
আসন বণ্টন ও সংরক্ষিত কোটা
প্রতিটি কলেজের মোট আসনের ৯৩ শতাংশ সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য মেধার ভিত্তিতে রাখা হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে ৫ শতাংশ আসন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরতদের সন্তানদের জন্য আরও ১ শতাংশ আসন নির্ধারিত রয়েছে।
অর্থাৎ বিশেষ কোটার জন্য মোট ৭ শতাংশ আসন রাখা হলেও যোগ্য প্রার্থী না থাকলে সেসব আসন ফাঁকা থাকবে না। তখন মেধা তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেই আসন পূরণ করা হবে।
ভর্তি ও সেশন ফি কত
এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি ও সেশন চার্জের সর্বোচ্চ সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা মহানগরীতে বাংলা ও ইংরেজি—দুই মাধ্যমেই সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা নেওয়া যাবে। অন্য মহানগর এলাকায় এই সীমা ৩ হাজার টাকা, জেলা সদরে ২ হাজার টাকা এবং উপজেলা বা মফস্বল এলাকায় ১ হাজার ৫০০ টাকা।
নন-এমপিও বা আংশিক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ফি কাঠামো কিছুটা ভিন্ন। ঢাকা মহানগরীতে বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইংরেজি মাধ্যমে ৮ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া যাবে। অন্যান্য মহানগরে বাংলা মাধ্যমে ৫ হাজার ও ইংরেজি মাধ্যমে ৬ হাজার টাকা নির্ধারিত হয়েছে। জেলা সদরে যথাক্রমে ৩ হাজার ও ৪ হাজার টাকা এবং উপজেলা কিংবা মফস্বল এলাকায় বাংলা মাধ্যমে ২ হাজার ৫০০ ও ইংরেজি মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নেওয়া যাবে।
প্রাথমিক ভর্তি নিশ্চায়নের সময় শিক্ষার্থীকে বোর্ডে মোট ৩৪০ টাকা দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ১৪২ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি, ৫০ টাকা ক্রীড়া ফি, ১০ টাকা বিএনসিসি ফি, ১৫ টাকা রোভার বা রেঞ্জার ফি, ১৬ টাকা রেড ক্রিসেন্ট ফি, ৭ টাকা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফি এবং ১০০ টাকা শিক্ষক কল্যাণ ও অবসর সুবিধা ফি।
অননুমোদিত ভর্তিতে সতর্কতা
শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে, শিক্ষা বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কোনো কলেজ শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে বা ছাড়পত্র (টিসি) দিতে পারবে না। অনুমোদন নেই এমন শাখা কিংবা বিষয়ে ভর্তি নেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি, স্বীকৃতি বা এমপিওভুক্তির বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
ফলে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কলেজ নির্বাচন করার সময় প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত বিষয়, মাধ্যম এবং ভর্তি-সংক্রান্ত নির্ধারিত ফি সম্পর্কে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। অনলাইন আবেদন, ফল প্রকাশ, নিশ্চায়ন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি সম্পন্ন—প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করলেই শিক্ষার্থীরা নতুন শিক্ষাবর্ষে ভর্তি প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে শেষ করতে পারবে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ড ঙ গ প রত র ধসহ?ড ঙ গ প রত র ধসহ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ড ঙ গ প রত র ধসহ matter?ড ঙ গ প রত র ধসহ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.