Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ডা. আবদুল্লাহ’র নিয়োগ বাতিল, বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশ

Published June 26, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Anderson - banglabeacon.com

Foto : Jennifer Anderson - banglabeacon.com

ডা. আবদুল্লাহ’র নিয়োগ বাতিল, বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশ

Banglabeacon.com – ড আবদ ল ল হ র ন - ডা. আবদুল্লাহ এর আজীবন অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে এবং তার বেতন ও ভাতা ফেরত দেয়ার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) কর্তৃপক্ষ গত বুধবার ডা. মো. মোস্তফা কামালের স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেছেন। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে, যা বিশ্ববিদ্যালয় এবং আবদুল্লাহ এর চাকুরী পরিস্থিতি প্রতিকূল করে তুলবে।

বাজেট অধিবেশন সভার প্রস্তাব

২০২৪ সালে ভারতে চলে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আবদুল্লাহ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের সাবেক ডিন ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে যে, গত ১৩ জুন বাজেট অধিবেশন সভায় আলোচ্যসূচির সিন্ডি-৯২ পয়েণ্ট ইমেরিটার্স অধ্যাপক নিয়োগ অধ্যাদেশ সংশোধনের বিষয়টি আলোচিত হয়েছিল। সেই পয়েণ্টের ভিত্তিতে সিন্ডিকেট সভার সদস্যদের সম্মতি পেয়ে সংশোধন করা হয়। তবে পরবর্তী পর্যায়ে বিধি বহির্ভূত বিবেচনার কারণে নিয়োগ অনুমোদন করা যায় নি।

নিয়োগ অধ্যাদেশের সংশোধন ও প্রভাব

৯২তম সিন্ডিকেট সভায় ডা. আবদুল্লাহ এর আজীবন ইমেরিটাস হিসেবে নিয়োগ অনুমোদন করা হয়। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তের পরে আবার বিধি বহির্ভূত বিবেচনার কারণে নিয়োগ বাতিল করা হয়। এই নির্দেশে ডা. আবদুল্লাহ এর সিন্ডিকেট সভার তারিখ থেকে প্রাপ্ত বেতন ও ভাতা ফেরত দেয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতি কার্যকরী হওয়ার পর বেশ কয়েকটি সংস্থা এবং আবদুল্লাহ এর মতো ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের সামনে নতুন পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, ডা. আবদুল্লাহ এর বেতন-ভাতা ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তার সাবেক সাবেক নিয়োগ বাতিল করার পর বিশ্ববিদ্যালয় তার চাকুরী সম্পর্কে অধিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে। নিয়োগ বাতিল করার পর তার প্রাপ্ত আয় ফেরত দেয়া হবে এবং তা পরিচালনার জন্য প্রক্রিয়া চলছে। এই বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে বিতর্ক তৈরি করেছে এবং চাকুরীর অধিকার সম্পর্কে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এ নির্দেশ নীতিগত পরিবর্তন করেছে যা আবদুল্লাহ এর পূর্বের নিয়োগ প্রক্রিয়াকে পুনর্বিমর্শন করার প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা