Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ট্রাম্পের হস্তক্ষেপেই ইরানের ইউরেনিয়াম দখল করতে পারেনি মার্কিন বাহিনী

Published June 13, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Anderson - banglabeacon.com

Foto : Jennifer Anderson - banglabeacon.com

ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে ইরানের ইউরেনিয়াম দখল করতে পারেনি মার্কিন বাহিনী

Banglabeacon.com – ট র ম প র হস তক - সিএনএন খবর দিয়েছে যে মার্কিন সেনাবাহিনী ইরানের ইউরেনিয়াম জব্দ করার জন্য সামরিক কার্যক্রম গ্রহণ করেছিল বলে জানা গেছে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিবাদের কারণে সেই পরিকল্পনা বাতিল করে দেয়া হয়।

গোপন বৈঠক এবং সিদ্ধান্ত

১৯ মে ফ্লোরিডার টাম্পায় এক গোপন বৈঠকে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কয়েক জন উপস্থিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন ইরানের ইউরেনিয়াম জব্দ করার জন্য একটি স্থানীয় অভিযান। জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন ব্রাসেলসে ন্যাটো সদস্যদের সাথে আলোচনা করে বৈঠকের সূচনা করেছিলেন।

ট্রাম্প বলেছিলেন, ইউরেনিয়াম দখলের পদক্ষেপ ইরানের গুরুতর প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতি ধ্বংসের পথে চলে যাবে।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় যে ইউরেনিয়ামের বিশুদ্ধতা উন্নীত করা হলে ইরান পরমাণু বোমা তৈরি করতে পারে। কিন্তু জেনারেল কেইনের প্রস্তাব শোনার পর ট্রাম্প তা বাতিল করেন।

ইউরেনিয়ামের পরিমাণ ও উত্তেজনা

আইএইএ তথ্য অনুসারে ইরানের কাছে ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম রয়েছে, যার মান ৬০ শতাংশ। পরমাণু প্রকল্পের আড়ালে সেই ইউরেনিয়াম বিশুদ্ধ করা হলে বোমা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষমতা ইরানকে প্রদান করতে পারে।

২০২৫ সালের জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে আইএইএ এই তথ্য প্রকাশ করার পর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে অভিযান চালিয়েছিল। তবে দুই দেশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের কোনো সন্ধান পায়নি।

সংলাপ ও স্থায়ী চুক্তি

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জুন মাসের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধির মধ্যে আলোচনা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। মার্কিন সরকার বলেছে ইরান বোমা তৈরির জন্য পরমাণু প্রকল্পের আড়ালে ইউরেনিয়াম বিশুদ্ধকরণ অব্যাহত রেখেছে। ইরান তার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছে প্রকল্পটি শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে চালানো হচ্ছে।

৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের অবস্থা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তান ও কাতার মাধ্যমে স্থায়ী শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের জন্য প্রস্তুতি চলছে।