Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

চুরির আগেই চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

Published July 24, 2026 · Updated July 24, 2026 · By John Williams - banglabeacon.com

Foto : John Williams - banglabeacon.com

চুরির আগেই চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার: বগুড়ায় সাফল্যমণ্ডিত অভিযান

Banglabeacon.com – চ র র আগ ই চ র - বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা এলাকায় একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে পুলিশ। চুরির আগেই চোর চক্রের চারজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে দেউলী এলাকা থেকে ওই চারজনকে আটক করা হয়। এই অভিযানটি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আনন্দের সঞ্চার করেছে।

অভিযানের বিস্তারিত বিবরণ

পুলিশ সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত গভীরে চুরির উদ্দেশ্যে একদল লোক দেউলীতে জড়ো হচ্ছে—এমন গোপন খবর পাওয়ার পরই অভিযান শুরু হয়। মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল রাত তিনটার দিকে সেখানে পৌঁছায়। চুরির আগেই চোর চক্রের সদস্যদের সনাক্ত করতে পারা যায়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করার সময় ওই চারজনকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে চুরির জন্য ব্যবহৃত কিছু সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও, তাদের পোশাক থেকে চুরি করা কিছু জিনিসপত্র পাওয়া গেছে।

গ্রেপ্তারদের পরিচয় ও স্বীকারোক্তি

আটক ব্যক্তিরা হলেন শিবগঞ্জ উপজেলার কুড়াহার আন্নাপাড়া গ্রামের সাজু, মিনাজুল ও রব্বানী। এছাড়াও বগুড়া সদর উপজেলার ধলমন বামনপাড়া এলাকার বাসিন্দা আনছারও ওই তালিকায় আছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা স্বীকার করেছেন যে তারা একটি চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং ওই এলাকায় চুরির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছিলেন।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে সাজু ও মিনাজুল একাধিকবার চুরির সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। রব্বানী জানিয়েছে যে তারা গত কয়েকদিন ধরে ওই এলাকার বিভিন্ন বাড়ি পর্যবেক্ষণ করছিল। আনছারও চুরির আগেই চোর চক্রের অন্যান্য সদস্যদের সাথে যোগাযোগ রাখার কথা উল্লেখ করেছেন।

পুলিশের এই সাফল্য স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। তারা মনে করছেন যে চুরির আগেই চোর চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করা একটি বড় সাফল্য।

মামলা ও আইনানুগ ব্যবস্থা

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান সংবাদকে জানান, ঘটনার পর থানায় মামলা করা হয়। আজ দুপুরের দিকে ওই চারজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলায় চুরির চেষ্টা, চুরির সরঞ্জাম বহন এবং চোর চক্রের সদস্য হিসেবে কাজ করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ওসি আরও জানান, মোকামতলা ও আশপাচের এলাকায় চুরি ও অন্যান্য অপরাধ দমনে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, চুরির আগেই চোর চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা আনন্দিত।

স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আশা করছেন যে এই ধরনের অভিযান চলতে থাকলে চুরির হার কমে আসবে। এছাড়াও, তারা চুরির আগেই চোর চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের কৃতিত্ব স্বীকার করেছেন।