Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

চমেকে অপহৃত শিশুকে ১৩ ঘণ্টা পর উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

Published July 12, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Robert Taylor - banglabeacon.com

Foto : Robert Taylor - banglabeacon.com

চম ক অপহ ত শ শ ক - পাঁচলাইশ মডেল থানার পুলিশ কর্মকর্তাদের অপরিচিত এক নারী কন্যা শিশু নাজেহাদকে বাদী মোহাম্মদ সোহেল রানার বান্ধবী বলে পরিচয় দিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর ঘটনার দৃষ্টান্ত হিসেবে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তিনি ফিরে আসেননি। পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়েছিল এবং হাসপাতালে খোঁজ চালিয়ে যাওয়া হয়। দুই অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয় সকালে সাড়ে ৬টার দিকে চান্দগাঁও থানার এলাকা থেকে।

অপহরণের পরিস্থিতি

Banglabeacon.com – চম ক অপহ ত শ শ ক - গত ৯ জুলাই বাদী মোহাম্মদ সোহেল রানার শালিকা রিমির তিন দিনের নবজাতক কন্যা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ষ্ঠ তলার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। নবজাতকের মা কক্সবাজারে চিকিৎসাধীন থাকায় পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে থাকছিলেন। রাতে স্ত্রী তসলিমা জান্নাত নীলা নবজাতকের সঙ্গে ওয়ার্ডে অবস্থান করছিলেন যখন বাদীর শাশুড়ি নাজেহাদকে নিয়ে ৫ম তলার নিউরোসার্জারি বিভাগের বারান্দায় ঘুমিয়ে ছিলেন। অপহৃত শিশু নাজেহাদকে কান্না শুরু করার পর দোকান থেকে চিপস কিনে দেওয়ার কথা বলে তাকে কোলে নিয়ে চলে যান। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়েছিল। খবর পেয়ে বাদী হাসপাতালে যাওয়ার পর শিশুটি না পেয়ে পাঁচলাইশ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এর ভিত্তিতে ১১ জুলাই মামলা করা হয় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে। তদন্ত দল তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে ব্যাপক অভিযান চালিয়ে অপহৃত শিশু উদ্ধার করে।

অভিযোগ ও তদন্ত বিস্তার

পুলিশ জানিয়েছে অপহৃত শিশু নাজেহাদকে হেফাজত থেকে সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়। তাকে পরিবারে হস্তান্তর করা হয়। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। অপহৃত শিশু কন্যা নাজেহাদের নিয়মিত চিকিৎসা চলছে। অনুসন্ধানের সময় তদন্ত দল নবজাতকের সাথে ঘটনার স্থান ও সময় নির্ধারণের জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে আলোচনা করেছে। আপনি নিয়মিত তদন্ত চালিয়ে অপহৃত শিশু উদ্ধারের প্রক্রিয়া কিছুটা বিস্তার করা হয়েছে। চম ক অপহ ত শ শ কে সাধারণত নিয়মিত পরিচয় দেওয়া হয় যখন তার অপরাধীর অবস্থান নির্ণয় করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে অপহৃত শিশু নাজেহাদকে খুঁজে পাওয়া হয় তদন্ত দলের গুরুত্বপূর্ণ কাজের ফলে।

গ্রেপ্তার ও অপরাধীর পরিচয়