Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

গোলশূন্য প্রথমার্ধ: পেনাল্টি মিস করে হতাশ এমবাপে | সংবাদ

Published July 10, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mark Hernandez - banglabeacon.com

Foto : Mark Hernandez - banglabeacon.com

গোলশূন্য প্রথমার্ধ: পেনাল্টি মিস করে হতাশ এমবাপে | সংবাদ

Banglabeacon.com – গ লশ ন য প রথম র - গোলশূন্য প্রথমার্ধ ছিল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স ও মরক্কোর মধ্যকার খেলার সবচেয়ে আগ্রহী মুহূর্ত। বোস্টন স্টেডিয়ামে আয়োজিত ম্যাচে ফ্রান্সের বিশ্ব সুপারস্টার কিলিয়ান এমবাপে সম্পূর্ণ দুর্বল পেনাল্টি কিকে ছেড়ে দেন, যা মরক্কোর প্রতিরক্ষা সম্পূর্ণ বাধা সৃষ্টি করে। প্রথমার্ধে দুই দলের বিশ্বাস করা ছিল আক্রমণে প্রতিপক্ষের প্রতিরক্ষা অস্পষ্ট করে গোল পাওয়ার কথা, কিন্তু তা হয়নি। পরিসংখ্যান অনুযায়ী মরক্কো কিক আঘাত করেছিল প্রায় ৫১ শতাংশ বিজয় লাভ করে, কিন্তু কেউ আসলে গোলে নেতৃত্ব ফেলতে পারেনি।

প্রথমার্ধে রক্ষণের বাধা প্রতিপক্ষের হাতে

ফ্রান্স এবং মরক্কো প্রথমার্ধে বল দখলের আকাম্য প্রতিযোগিতা চালিয়েছিল। মরক্কো রক্ষণ দৃঢ় হওয়ার সাথে সাথে ফ্রান্স সম্পূর্ণ বাধা ফেলতে পারেনি। বিশেষ করে এমবাপে প্রতিযোগিতার সুযোগ ছিল কিন্তু তিনি প্রথমার্ধে কোনো গোল না করে পরিচালনা করেছিলেন। ফ্রান্সের প্রথম হাফ কেবল মরক্কো রক্ষণের সামনে হতাশ হয়েছিল, কিন্তু কোনো কিছু লাভ করেছিল না। সেখানে গোলশূন্য প্রথমার্ধে প্রতিটি প্রতিপক্ষের সামনে ক্ষীণ সুযোগ ছিল, কিন্তু মরক্কো সেগুলো ব্যবহার করতে পারেনি।

ম্যাচের ২৫তম মিনিটে ফ্রান্স পেনাল্টি সুযোগ পেয়ে এমবাপে প্রতিযোগিতা করেন। নুসাইর মাজরাউই কর্মচারী ফাউল করে পেনাল্টি বক্সে কিলিয়ান এমবাপেকে দাড়িয়ে দেন। সেখানে পেনাল্টি কিকটি তিনি মুখোমুখি করেন কিন্তু গোলশূন্য প্রথমার্ধ প্রায় সম্পূর্ণ অবিরাম প্রতিরক্ষার কাছে হারিয়ে যায়। মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু এই গোলশূন্য প্রথমার্ধে স্থায়ী রক্ষার কাজ করেছিলেন।

পেনাল্টি কিকটি কিলিয়ান এমবাপে গোল না করে দুর্বল হয়ে ফেলেছিলেন। গোলশূন্য প্রথমার্ধের বিশ্লেষণ অনুযায়ী বোস্টন স্টেডিয়ামে এই খেলার প্রতিপক্ষ বাইরের চাপ কাটতে পারেনি।

প্রতিরক্ষার অবিরাম সামনে রেখে দুই দলের নিষ্প্রাণ প্রতিযোগিতা

গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর মরক্কো আক্রমণ বৃদ্ধি করে প্রতিরক্ষার বাধা কাটার চেষ্টা করে। কিন্তু তাদের ক্রীড়া প্রতিপক্ষ প্রতিরক্ষা স্থিতিশীল রেখে এমবাপের প্রতিযোগিতার সুযোগ নষ্ট করে। বিশেষ করে লুকা দিনের পায়ে দূরপাল্লার শট থেকে ফ্রান্সের কোনো গোল হয়নি। সেখানে গোলশূন্য প্রথমার্ধের বিশ্লেষণ করে দেখা যায় দুই দলের মধ্যে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত আক্রমণ প্রতিরক্ষা পরিচালনা চালিয়ে গেছে।

সামনে থেকে খেলা চালিয়ে মরক্কো আক্রমণের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা প্রতিপক্ষের হাতে পড়ে গেছে। প্রথম হাফে বিশ্বকাপের সুপার স্টার এমবাপে বল দখলের দুই সুযোগ