Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

গৃহবধূকে গাছে বেঁধে নির্যাতন

Published June 13, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Brown - banglabeacon.com

Foto : John Brown - banglabeacon.com

গৃহবধূকে গাছে বেঁধে নির্যাতন ও পুলিশের তদন্ত

Banglabeacon.com – গ হবধ ক গ ছ ব ধ - গৃহবধূকে গাছে বেঁধে নির্যাতন ঘটনায় নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার গাছে বেঁধে নির্যাতন বিষয়ে একটি গুরুতর ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে আব্দুল মতিন মন্ডল ও তার শ্যালক ও শ্যালকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার (১৩ জুন) আসামিরা গৃহবধূ হাসিনা খাতুনের বাড়িতে আক্রমণ করে তাকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করে। মামলার বাদী হিসেবে হাসিনার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত বিস্তার লাভ করছে।

বছরের পর বছর ধরে জমিজমা বিরোধ

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাসিনা খাতুন ও তার স্বামীর মধ্যে বছরের পর বছর ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) আব্দুল মতিন মন্ডল গৃহবধূর কাছে বিতর্ক বাড়িয়ে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন। এতে জমি দখল ও মারধরের অভিযোগ তুলে আসামিরা আগ্রাসন করে।

পরদিন শুক্রবার সকালে আসামিদের গ্রুপ হাসিনার বাড়িতে আক্রমণ চালায়। দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে তাকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করে। ডাব গাছে দড়ি দিয়ে তার সর্বাধিক অঙ্গ ঝালে গুঁড়ো মাখিয়ে দেয়। ঘটনার পর হাসিনাকে উদ্ধার করে পুলিশ তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

গৃহবধূ নির্যাতনের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় তার পরিবার ও প্রতিবেশীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেয়। তার মেয়ে স্থানীয় মানুষদের সাথে ঘটনার কথা বলার পর তিনি এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেন। পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনার সত্যিকারী তদন্ত চালাচ্ছেন এবং গৃহবধূ নির্যাতনের স্থানীয় মানুষদের সাথে প্রতিক্রিয়া সংগ্রহ করছেন।

পুলিশের গ্রেপ্তার অভিযান

এখনও আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলায় গৃহবধূ নির্যাতন ও মারধরের ধারায় তদন্ত বিস্তার লাভ করছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে, এ ঘটনার পর হাসিনার মেয়ে তথ্য দেওয়ার পর তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওমর ফারুক ঘটনার কথা নিয়ে বিস্তারিত বিবরণ দেন।

মামলার পরিচালনায় বিভিন্ন ধারার আসামিরা আটকে দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে গৃহবধূ নির্যাতন এবং তার পরিণতি নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রতিবেশীদের কাছে ঘটনার ছবি ও ভ