কেরামের আড়ালে জুয়া, ধ্বংসের পথে তরুণরা
শরণখোলার কেরাম খেলায় জুয়ার নেশা ছড়িয়ে পড়ছে
Banglabeacon.com – ক র ম র আড় ল জ - বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলায় কেরাম খেলার নামে জুয়া খেলার নেশা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। উপজেলার চারটি ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট-বাজার এবং গ্রামগঞ্জের চা-দোকানগুলোতে এখন দিনরাত এই খেলা চলছে। তবে এটি কেবল একটি খেলা হিসেবে সীমাবদ্ধ নেই বলে অভিযোগ উঠেছে। কেরাম খেলার আড়ালে জুয়ার আসর বসছে এবং এতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী থেকে তরুণ প্রজন্মের বড় অংশ আসক্ত হচ্ছে।
গ্রামাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া কেরাম খেলা
সরেজমিনে পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ধানসাগর, খোন্তাকাটা, রাইগন্দা ও সাউথখালী ইউনিয়নের প্রায় এক হাজারের বেশি চা-দোকানে কেরাম বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। আমরাগাছিয়া, রাইগন্দা বাজার এবং তাফালবা-সহ বিভিন্ন ছোট ও বড় বাজারে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এই আসর চলছে। প্রতিটি খেলায় বাজির টাকা হার-জিতের নেশায় কিশোর ও যুবকরা ডুবে যাচ্ছে।
অনেক ক্ষেত্রে কেরাম খেলার পাশাপাশি তারা স্মার্টফোনে অনলাইন ক্যাসিনো গেমের দিকেও ঝুঁকছে। স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, মাদকের পাশাপাশি এই জুয়ার আসরগুলো যুবসমাজকে পাশোনা ও স্বাভাবিক জীবনযাপন থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। দ্রুত কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হলে সামাজিক অস্থিরতা আরও বাড়বে বলে তারা সতর্ক করেছেন।
প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি ও ব্যবস্থা
শরণখোলা উপজেলার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক মো. বেল্লাল হোসেন মিলন বিষয়টি নিয়ে মতামত প্রকাশ করে বলেন, 'শরণখোলার কেরামের নামে কোনো জুয়া চলতে দেওয়া হবে না। আমরা প্রশাসনকে বলেছি এই অপরাধের শিকার উপরে ফেলতে। অপরাধী যেই হোক, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।' তিনি আরও জানান, এই সমস্যার প্রতি সমাজের সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।
কেরাম খেলার নামে জুয়ার আসর বসার বিষয়টি আমি অবগত আছি। খুব দ্রুতই অভিযান চালিয়ে এসব বোর্ড জব্দ করা হবে। জুয়া ও মাদকের বিষয়ে পুলিশের অবস্থান জিরো টলারেন্স।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খাতুন জানান, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মাদক ও অপরাধ দমনে কাজ করছেন। তিনি বলেন, কেরাম খেলার নামে জুয়ার আসর বসার বিষয়টি তিনি অবগত আছেন এবং খুব দ্রুতই অভিযান চালিয়ে এসব বোর্ড জব্দ করা হবে। জুয়া ও মাদকের বিষয়ে পুলিশের অবস্থান জিরো টলারেন্স বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ ধরনের কর্মকাণ্ড সমাজ ও পরিবেশ নষ্ট করছে। জুয়াড়ি ও তাদের মদদদাতাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। শরণখোলাকে অপরাধমুক্ত রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) অর্থিতা হাওলাদার বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সমাজ ও পরিবেশ নষ্ট করছে। জুয়াড়ি ও তাদের মদদদাতাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। শরণখোলাকে অপরাধমুক্ত রাখতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর বলে তিনি উল্লেখ করেন।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ক র ম র আড় ল জ?ক র ম র আড় ল জ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ক র ম র আড় ল জ matter?ক র ম র আড় ল জ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.