Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

কুয়েত ও বাহরাইনে ৮ মার্কিন স্থাপনা ধ্বংসের দাবি ইরানের | সংবাদ

Published June 28, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Williams - banglabeacon.com

Foto : John Williams - banglabeacon.com

কুয়েত ও বাহরাইনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পরিণতি

Banglabeacon.com – ক য ত ও ব হর ইন - বৃহৎ সামরিক অভিযানের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা চালানোর পর কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা ঘটিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এই হামলার মাধ্যমে ইরান বলেছে যে আটটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আজ রোবিবার (২৮ জুন) আইআরজিসি জানায় যে এই প্রতিক্রিয়া ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক আক্রমণের প্রতিবাদে নেওয়া হয়েছে।

হামলার লক্ষ্য ছিল বিশেষ সামরিক স্থাপনা

আইআরজিসি ঘোষণা করেছে যে হামলা কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের সালমান বন্দরে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম বহর সংক্রান্ত লক্ষ্য হিসেবে নেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, সঠিক আক্রমণের ফলে আমেরিকার আটটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলোতে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান। তিনি বলেন যে এখনও বড় ধরনের ক্ষতি বা প্রভাব সম্পর্কে খবর পাওয়া যায়নি।

“লক্ষ্যবস্তু ছোট হোক কিংবা বড়, কোনো ক্ষেত্রেই ইরান বিন্দুমাত্র ছাড় দেবে না,” আইআরজিসি সতর্ক করে জানায়। তারা আরও বলেন যে এই হামলার মাধ্যমে ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

পূর্ববর্তী ঘটনার তুলনায় বিপজ্জনক অবস্থা

পূর্বে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছিল যে তারা ইরানের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলেছে যে হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে বিশ্বের জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথে আজ রবিবার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো যুক্তরাষ্ট্র একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালায়। সপ্তাহ দুয়েক আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা সই হয়েছিল, যেখান থেকে এই হামলা বৃহৎ উত্তেজনা বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।