Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

কবি ও সম্পাদক ফারুক মাহমুদ | সংবাদ

Published July 16, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Brown - banglabeacon.com

Foto : John Brown - banglabeacon.com

কবি ও সম্পাদক ফারুক মাহমুদ

সংবাদ

Banglabeacon.com – কব ও সম প দক ফ র - বাংলা কবিতার হাজার বছরের ধারার মধ্যে কবির জন্ম হল আশাবাদ এবং সুন্দর আনন্দের অনুপম উপহার। কিন্তু মানুষের কন্যার ক্ষেত্রে শুরুতে কবিতার প্রতিভা অনুমান করা হয় না। মায়ের সঙ্গে আমার প্রতিভার বিষয়ে এক অভিজ্ঞ কবি বলতেন, গর্ভে নিয়ে দেবতার দৃষ্টি সুন্দরী সন্তান কবি হবে বলে তিনি কখনো কখনো চাঁদ দেখতেন। এমন দিব্যজ্ঞান দিয়ে তাঁর গর্ভে তৈরি হয়েছিলো রফিক আজাদ কবির আস্থা ছাড়া আর কিছু নয়।

ফারুক মাহমুদের জন্ম ১৭ জুলাই মেঘনা নদীর জলপ্রবাহে কিশোরগঞ্জ জেলার ভরবের সন্তান হিসেবে ঘটে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর হওয়ার পর তিনি পেশাগত জীবনে সাংবাদিকতা গ্রহণ করেন। আধুনিক আকারে এক স্থাপিত পত্রিকার অফিস দেখে আমার পরিচয় হয় ফারুক মাহমুদের সঙ্গে সেদিন লতা হোসেনের নিয়োগে বাংলা সাহিত্য ও শিল্প বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

“আর কতদূর নিয়ে যাবে মোরে বলো, কোন পারে ভিড়িবে তোমার এই স্বপ্নময় কবিতা দেবী কাকে যে কতদূর নিয়ে যাবে, জীবদ্দশায় কেউ তা নিশ্চিত করে কিছু বলতেই পারে না।”

রফিক আজাদ কবির জন্ম পরে ফারুক মাহমুদের সংখ্যায় সাকুরার পথে অতিথি সম্পাদক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। তখন কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী ও কবি শিহাব সরকারের প্রেরণা ছিলো এরা সবাই কবির অন্ধ ভক্ত। আমি বুঝতে পারি না কেন রফিক আজাদ নিয়মিত করে যান তাঁর গৃহে বা বের হন না। তবে কবি ফারুক মাহমুদের মাধ্যমে বাসায় ওঠে সাকুরার পথ।

বাংলা কবিতার বিশাল সংখ্যায় এমন সমৃদ্ধ সংকলন আর হয়নি যে শিল্পী রফিক আজাদের আত্মপ্রকাশের পর। আর কবি ও সম্পাদকের পরিচয়ের সম্পর্ক ছিলো অপরিসীম গভীর। সেদিন তিনি আমার সঙ্গে কবি রফিক আজাদের জন্যে অতিথি সম্পাদক হিসেবে প্রকাশিত হন বাংলা সাহিত্যে বিশেষ প্রতিভার প্রতিভা দেখা যায়।

“কে তুমি পড়িছ বসি আমার কবিতাখানি আজি হতে শতবর্ষ পরে।”

সময়ে ফারুক মাহমুদ আত্মপ্রকাশ করে এমন সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে বিশেষ যোগদান করেন “দনিক আমার দেশ” পত্রিকায়। তার পর রফিক আজাদ কিছু দিন চাকরিহীনতায় বিড়ম্বনার মধ্যে অতিথি সম্পাদক হিসেবে কবিতা লেখার উৎসাহ প্রদান করেন। তার প্রতিভা দেখা যায় অলোক বসুর অনুরোধে সেই কাজে এক অপরিচিত শিরোনাম হলো “কোনো খেদ নেই”।

এই যোগসূত্রে স্বাক্ষরিত কবির প্রতিভা মুক্তি পায় সুন্দর আনন্দে। তারা ছিলো সম্পাদক ও কবি যুগে প্রতিভার মানুষ। সে কথা বলছিলাম আগে আমি সেই পত্রিকা ছেড়ে নিয়মিত করে যাই বাসায়। তার পর বেচারা ফারুক মাহমুদের প্রতি আমি কোন বিচার ছাড়া বেশি অপরাধী ভাবতে শুরু করি।