AMP
Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

কঙ্গোর চমক, সিপেঙ্গার ঐতিহাসিক গোলে প্রথমার্ধেই ব্যাকফুটে ইংল্যান্ড | সংবাদ

Published July 2, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mark Hernandez - banglabeacon.com

Foto : Mark Hernandez - banglabeacon.com

কঙ্গোর চমক, সিপেঙ্গার ঐতিহাসিক গোলে প্রথমার্ধেই ব্যাকফুটে ইংল্যান্ড

Banglabeacon.com – কঙ গ র চমক স প ঙ - কঙ্গোর চমক সিপেঙ্গার ঐতিহাসিক গোলে ইংল্যান্ড বিপরীতে স্বল্পসময়ে প্রতিযোগিতার চাপে পড়েছে। রাউন্ড অব-৩২ ম্যাচে বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রথমার্ধ শেষে কঙ্গো দল এক গোলে পিছিয়ে থাকার পর ইংল্যান্ডের স্পৃহার বিপর্যয় ঘটেছে। এই ম্যাচ দ্বারা প্রতিদ্বন্দ্বীদের ক্ষমতার বিষয়ে অসাধারণ রকম একটি বিস্ময় সৃষ্টি করেছে কঙ্গো দল।

সিপেঙ্গার গোল কিভাবে ম্যাচের প্রতিযোগিতা পরিবর্তন করেছে

ম্যাচের ৭ম মিনিটে ডান পায়ে শট ছুঁড়ে বেনি সিপেঙ্গা ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করেন। এই গোল কঙ্গোর জনগণের মনে বিশাল ভাবনা জাগায় এবং প্রতিদ্বন্দ্বী দলের স্পৃহা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেয়। সিপেঙ্গা কিন্তু প্রতিযোগিতা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন না, বরং প্রথমার্ধে তাঁর গোলটি কঙ্গো দলকে একটি স্বাভাবিক ভাবে ম্যাচের মুখ্য চাপ প্রতিষ্ঠা করে। ইংল্যান্ড বিপরীতে কিন্তু আক্রমণ তাড়াতাড়ি শুরু করে দেয়, যার ফলে বেনি সিপেঙ্গা আবারও গোল করার সুযোগ পান।

১৯তম মিনিটে জুদ বেলিংহ্যামের ট্যাকলের ফলে হলুদ কার্ড দেখানো হয়, যা ইংল্যান্ড দলের আক্রমণ ক্ষমতাকে কিছুটা কমিয়ে দেয়। ডিআর কঙ্গোর নোয়া সাদিকি প্রতিরোধ করতে সক্ষম হন, যার ফলে ইংল্যান্ড পরবর্তী প্রতিযোগিতা থেকে বের হয়। ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষে কঙ্গো এখন এক গোলে বেশি পিছনে থাকার পর মনে হয় তারা এই প্রতিযোগিতার জন্য অনুপযুক্ত হয়েছে।

দ্বিতীয় অর্ধেকে ইংল্যান্ড কিভাবে স্পট-কিক দাবি করেছে এবং কিভাবে পরাজিত হয়েছে

প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ইংল্যান্ড পেনাল্টি দাবি করে প্রতিযোগিতার পরিবর্তন আশা করে। কিন্তু ভিএআর পরীক্ষা করে রেফারি স্পট-কিক বাতিল করেন। এই সিদ্ধান্ত তাঁদের মনে হয় সামান্য কৌশল বিষয়ে ত্রুটি রয়েছে। কিন্তু সিপেঙ্গার গোলে কঙ্গো দল ম্যাচে আরও দৃঢ়তা সৃষ্টি করে।

দ্বিতীয় অর্ধেকে ইংল্যান্ড কিছু বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করে বিপরীত দলের স্পৃহা আবারও ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু কঙ্গোর শক্ত রক্ষণ তাঁদের এটি করতে সক্ষম হয়। প্রতিযোগিতার সময়ে ইংল্যান্ড প্রতিদ্বন্দ্বীদের সম্মুখীন হয় এবং তাদের প্রতিরোধ করে ম্যাচ সমাপন করে।

কঙ্গো দল প্রথমার্ধে সিপেঙ্গার গোল এবং প্রতিরোধ ক্ষমতার কারণে ম্যাচের বিপরীত দিকে চাপ সৃষ্টি করে। এই প্রতিযোগিতার সময়ে কঙ্গো দল কৌশলে সিপেঙ্গার গোলটি কিছু ক্ষুদ্র গোল করেছে যা ইংল্যান্ডকে দুর