Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

কঙ্গোতে ইবোলা ভাইরাসে শিশুসহ ৩০ জনের মৃত্যু

Published June 20, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Taylor - banglabeacon.com

Foto : Jennifer Taylor - banglabeacon.com

কঙ্গোতে ইবোলা ভাইরাসে শিশুসহ ৩০ জনের মৃত্যু

Banglabeacon.com – কঙ গ ত ইব ল ভ ইর - ডিআর কঙ্গো কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের একটি পরিচ্ছন্নতা বিহীন শিবিরে মে মাসের আরম্ভ থেকে শিশুসহ কমপক্ষে ৩০ জন মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। এ তথ্য আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা রয়টার্স সূত্রে প্রকাশ করেছে।

শিবির কর্তৃপক্ষের মতে, এই মৃত্যুহার নজিরবিহীন এবং আক্রান্তদের উপসর্গ দেখে আশঙ্কা করা হচ্ছে, সেখানে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ইবোলা।

তথ্য প্রকাশের প্রাথমিক তথ্য

স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার (১৯ জুন) রয়টার্স প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কিগোঞ্জে শিবিরে মৃত বা জীবিত কারও নমুনা পরীক্ষা করতে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রোগী ও তাদের স্বজনরা রাজি হননি। ফলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

“মৃতদের প্রায় সবারই মাথাব্যথা, জ্বর ও বমির মতো উপসর্গ ছিল, যা ইবোলার সাধারণ লক্ষণ।”

শিবিরের মুখপাত্র একজন শোকাহত বাবা, কয়েকজন ত্রাণকর্মী এবং স্থানীয় নাগরিক সমাজের নেতাদের মতে এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ

১৫ হাজারের বেশি মানুষের বসবাস কিগোঞ্জে শিবিরে। এই মৃত্যুর ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে যে, পূর্ব কঙ্গোর ৫০ লাখের বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষের মধ্যে অজান্তেই ইবোলা ছড়িয়ে পড়তে পারে।

সীমিত স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার পাশাপাশি রোগ শনাক্তে অনীহা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

বিস্মরণ ও পরিস্থিতির বিশ্লেষণ

শিবিরের সভাপতি ডিজ'জো এতিয়েন জানান, আগে কখনো এভাবে মানুষ মারা যায়নি। শুধু চলতি সপ্তাহেই ১০ জনকে দাফন করা হয়েছে। অথচ আগে প্রতি মাসে গড়ে এক থেকে তিনজনের বেশি মারা যেতো না।

বুধবার তার দল শিবিরে গিয়ে চাদরে মোড়ানো কয়েকটি মরদেহ দেখেছে, যার মধ্যে গর্ভবতী নারী ও শিশুও ছিল।

বৃহস্পতিবার ধারণ করা এবং রয়টার্স যাচাই করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিশেষ সুরক্ষা পোশাক পরা স্বাস্থ্যকর্মীরা মরদেহ জীবাণুমুক্ত করছেন এবং একটি ক্রুশের পাশে ছোট ছোট কফিন প্রস্তুত করছেন। এ সময় স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

ক্যাথলিক ত্রাণ সংস্থা ক্যারিটাসের পরিচালক জাস্টিন জানামুজি বলেন, আমাদের দল মরদেহ পরীক্ষা করার জন্য চিকিৎসকদের অনুমতি দিতে অনুরোধ করেছিল। কিন্তু তারা পুরোপুরি অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

ডিআর কঙ্গো সরকার গত ১৫ মে আনুষ্ঠানিকভাবে