Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ওএমএসের চাল মজুত কাণ্ডে চুয়াডাঙ্গায় বিএনপি নেতা বহিষ্কৃার

Published June 17, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Patricia Jackson - banglabeacon.com

Foto : Patricia Jackson - banglabeacon.com

চুয়াডাঙ্গায় বিএনপি নেতার বহিষ্কার

বিএনপি ঘোষণা করেছে নেতার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা

Banglabeacon.com – ওএমএস র চ ল মজ ত ক - ওএমএস র চাল মজুত কাণ্ডে চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির নেতা সোহেল আহমেদ মালিককে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেছেন বিএনপি জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. শরিফুজ্জামান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে। তিনি ঘোষণা করেন যে সোহেল আহমেদকে সাংগঠনিক সম্পাদক পদ ও দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে, কারণ তাঁর চাল মজুত কাণ্ড দলীয় শৃঙ্খলা বিপর্যয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। বিএনপি সংখ্যালঁপু প্রতিবেদন প্রকাশ করে এ বিষয়ে সার্বিক সমালোচনা করেছে।

ওএমএস র চাল মজুত ঘটনার প্রকৃত পটভূমি

গত ১০ জুন চুয়াডাঙ্গা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সংগঠিত অভিযানে ওএমএস র চাল মজুত কাণ্ড আবিষ্কৃত হয়। সরকারি জায়গায় অবৈধভাবে চাল জমা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উত্থাপিত হয়। অভিযোগ গ্রহণের পর সোহেল আহমেদ মালিককে চাল মজুত কাণ্ডের প্রতিবেদন দেওয়া হয়। তিনি সাংগঠনিক যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছেন এবং এ ঘটনা দলের ভেতরে প্রচলন হয়েছে।

দলীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা

বিএনপি নেতার বহিষ্কারের ঘোষণা দেওয়ার পর দল কর্মীদের মধ্যে তীব্র বিতর্ক দেখা দেয়। এ বিষয়ে দলের আনুষ্ঠানিক নোটিশ জারি করা হয়, যাতে সোহেল আহমেদ কারণ দর্শানোর জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। বিএনপি বিষয়টি সংগঠনের কাছে আরও গুরুতর বিষয় হিসেবে বিবেচনা করে এবং ওএমএস র চাল মজুত কাণ্ডের মাধ্যমে দলীয় শৃঙ্খলা সম্পর্কে বিশদ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এ ঘটনার পর তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।

বিএনপি নেতা র চাল মজুত কাণ্ডে অভিযোগ বিস্তার

ওএমএস র চাল মজুত কাণ্ডে সোহেল আহমেদ মালিককে বিশেষ করে অবৈধ জমা করার অভিযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়। এ কার্যক্রমে সরকারি সংস্থার সাথে দলের সম্পর্ক প্রতিকূল হওয়া পর্যন্ত সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে বহিষ্কৃত করা হয়। বিএনপি দাবি করে যে এ বিষয়ে আরও প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে এবং ওএমএস র চাল মজুত ঘটনার প্রতি তিনি যথেষ্ট কর্তব্য পালন করেননি।

ভোক্তা অধিকার বিষয়ক সংস্থার প্রতিবেদন

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত প্রতিবেদনে ওএমএস র চাল মজুত কাণ্ডের প্রমাণ দেখা দেয়। এ ঘটনার পর সোহেল আহমেদ কে চাল মজুতের জন্য সরকারি ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তিনি অভিযুক্ত হয়েছেন ওএমএস র চাল মজুত কাণ্ডে প্রতিবেদন অনুমোদনের জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করেছিলেন।

এ বিষয়ে প্রতিবেদনের আধারে সোহেল আহমেদ মালিক কে দুই দিনের মধ্যে জবাব দিতে বাধ্য করা হয়। তবে তিনি পর্যায়ে কোনো সন্তোষজনক প্রতিক্রিয়া দেননি। এ কারণে তাঁকে �