AMP
Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

এলডিসি-উত্তর বাংলাদেশ: সুবিধা হারানোর আগে সতর্ক প্রস্তুতি

Published July 5, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Brown - banglabeacon.com

Foto : John Brown - banglabeacon.com

এলডিসি-উত্তর বাংলাদেশ: সুবিধা হারানোর আগে সতর্ক প্রস্তুতি

Banglabeacon.com – এলড স উত তর ব ল দ - বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উন্নতির পাশাপাশি একটি প্রশ্ন রয়েছে— সেই অর্জন কি আমাদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে, নাকি প্রস্তুতি না হলে দীর্ঘমেয়াদে সংকটের দরজা খুলে দেবে। জাতিসংঘ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা প্রণয়ন করে ১৯৭১ সালে, যেখানে বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে যুক্ত হয়।

২০১৮ সালে বাংলাদেশ প্রথম বারের মতো এবং ২০২১ সালের ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনার পর দ্বিতীয়বার এলডিসি মানদণ্ড পূরণ করে। মূল পরিকল্পনায় উত্তরণ সম্পন্ন হওয়ার সময়সীমা ২০২৪ সালে ছিল, কিন্তু কোভিড-১৯ মহামারির প্রভাবে সেই সময়সীমা বিপর্যয়ের সামনে প্রস্তুতির ঘাটতি বিবেচনা করে ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বরে স্থগিত করা হয়।

সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে প্রস্তুতির পরিমাণ বাড়ছে বলে ধারণা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা এতদিন পর জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছে তিন বছর বেশি সময় চাওয়া হয়। সিডিপি গত ২ জুন ২০২৬ এই আবেদনকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করেছে, যে ফলে উত্তরণের সময়সীমা ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে এই প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পেতে পারে।

বাংলাদেশের উত্তরণের যোগ্যতা বিষয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। মাথাপিছু জাতীয় আয়ে এলডিসি মানদণ্ড পূরণের জন্য আমরা যথেষ্ট শক্তিশালী অবস্থায় রয়েছি— ১,২৪২ মার্কিন ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশের অর্জন প্রায় ২,৭৯৩ ডলার; মানবসম্পদ সূচকে ৬৬ পয়েন্টের বিপরীতে ৭৭ দশমিক ৩ পয়েন্ট অর্জন করেছি; অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকে প্রায় ২৬ দশমিক ৬ পয়েন্ট অবস্থানে রয়েছি।

উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের প্রতিষ্ঠান গৌরব বাড়বে, যা বিদেশি বিনিয়োগের প্রতি আকর্ষণ করতে পারে। তবে বাংলাদেশের রূপান্তরকালীন সময়ে ঋণ প্রাপ্তি বাড়বে, যেখানে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা হারালে শুল্কমুক্ত সুবিধা কমে আসবে। রপ্তানি খাত থেকে উত্তরণের পর শুল্ক হার উন্নয়নশীল দেশগুলোর নীতি অনুযায়ী বাড়তে পারে।

সিডিপি বাংলাদেশের ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছে। গ্রাজুয়েশনের পর শুল্কমুক্ত সুবিধা ধাপে ধাপে কমে আসবে। রপ্তানি খাত, বিশেষত তৈরি পোশাক শিল্প দামভিত্তিক প্রতিযোগিতার বদলে উৎপাদনশীলতা ও দক্ষতা দ্বারা নিশ্চিত হতে হবে।

পাশাপাশি, এলডিসি মর্যাদা হারান�