Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

উসমান দেম্বেলের হ্যাটট্রিকে প্রথমার্ধেই নরওয়েকে ডু‌বি‌য়ে দিল ফ্রান্স | সংবাদ

Published June 27, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Patricia Jackson - banglabeacon.com

Foto : Patricia Jackson - banglabeacon.com

Banglabeacon.com – উসম ন দ ম ব ল র - ​একাদশে ১০ জন পরিবর্তন করার খেসারত বেশ ভালোভাবেই দিতে হচ্ছে নরওয়েকে। কিলিয়ান এমবাপেদের গতিময় ফুটবলের সামনে রীতিমতো খাবি খাচ্ছে হালান্ডবিহীন নরওয়ে দলটি। ম্যাচের প্রথমার্ধেই উসমান দেম্বেলের চোখ ধাঁধানো হ্যাটট্রিকে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গেছে ২০১৮ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। ফরাসি ফুটবলাররা সুযোগগুলো ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারলে প্রথমার্ধেই গোলের সংখ্যা আরও বাড়তে পারত। ​ম্যাচের প্রথম মিনিটেই আক্রমণের সূচনা করেন কিলিয়ান এমবাপে। ডান পাশ থেকে বল নিয়ে ভেতরে ঢুকে ডি-বক্সের সামান্য ভেতর থেকে তিনি ডান পায়ের জোরালো শট নেন, তবে বলটি বারে লেগে প্রতিহত হয়। এরপর ম্যাচের ৫ মিনিটের মাথায় আবারও সুযোগ পায় ফ্রান্স। এবার ডি-বক্সের বাইরে থেকে মালো কুনের দূরপাল্লার শট দারুণভাবে রুখে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক সেলভিক। তবে ম্যাচের ৭ মিনিটের মাথায় নরওয়ের রক্ষণদুর্গে প্রথম আঘাত হানেন উসমান দেম্বেলে। এমবাপের পা থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সের সামান্য ভেতর থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে বল জালে জড়ান তিনি। ১৩ মিনিটে ডি-বক্সে বল পেয়েছিলেন মাইকেল ওলিসে, কিন্তু তার শট নরওয়ের ডিফেন্ডার রুখে দেন। এর পরের মিনিটেই ম্যাচের সবচেয়ে সহজ সুযোগটি হাতছাড়া করে নরওয়ে। ওয়েস্টেগার্ডের বাড়ানো ক্রসে বল নিজের আয়ত্তে নিয়ে স্ট্রান্ড লারসেন ডান পায়ে গোলমুখে যে শটটি নিয়েছিলেন, তা গোলবারের উপর দিয়ে চলে যায়। ​ম্যাচের ২০ মিনিটে আবারও এগিয়ে যায় ফ্রান্স। এবারও একটি নিখুঁত কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ওলিসের বাড়ানো বল এমবাপে হয়ে চলে যায় দেম্বেলের কাছে। ডি-বক্সের অনেক বাইরে থেকে বাঁ পায়ের দুর্দান্ত শটে গোল করেন ব্যালন ডি'অর জয়ী এই ফুটবলার। ফ্রান্স ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই এক গোল শোধ করে ফেলে নরওয়ে। কিক অফের পর বল আক্রমণভাগে নিয়ে যান শেলডেরাপ। তার বাড়ানো পাসে ডি-বক্সে খালি জায়গা পেয়ে দারুণ শটে বল জালে জড়ান আজগার্ড। ​তবে নরওয়ের এই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেয়নি ফ্রান্স। ম্যাচের ৩২ মিনিটে আবারও সেই দেম্বেলে বাঁ পায়ের শটে বল জালে জড়ালে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিকটি পূরণ করেন। এই কীর্তির মাধ্যমে বিশ্বকাপ ইতিহাসে তৃতীয় ফ্রেঞ্চ ফুটবলার হিসেবে হ্যাটট্রিক করার গৌরব অর্জন করলেন তিনি। এরপর ৪২ মিনিটে নরওয়ের গোলরক্ষক সেলভিক দলকে নিশ্চিত এক হালি গোল খাওয়া থেকে বাঁচান। বোয়েরকান ব্যাক পাস দিয়ে গোলরক্ষককে বল দিতে গেলে তা চলে যায় ফ্রান্সের ডুয়ের পায়ে। তিনি গোলরক্ষককে একা পেয়েও তাকে কাটিয়ে আর গোল দিতে পারেননি। ৪৫ মিনিটে এমবাপের বাড়ানো পাসে আবারও গোলরক্ষককে একা পেয়ে গোল করতে ব্যর্থ হন জুলস কুন্ডে। একের পর এক সুযোগ মিসের মহড়া না দিলে প্রথমার্ধেই হাফ ডজন গোল পেয়ে যেত ফ্রান্স। শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে মাঠ ছাড়ে ফরাসিরা।