Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আগুন

Published June 13, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Michael Brown - banglabeacon.com

Foto : Michael Brown - banglabeacon.com

উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আগুন

Banglabeacon.com – উখ য় য় র হ ঙ গ - কক্সবাজারের উখিয়ায় অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শুক্রবার (১২ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে একটি আগুন লাগে। বিষয়টি স্থানীয় সূত্রে জানানো হয়, যেখানে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি ভস্মীভূত হয়। ক্যাম্পের বি-৬ ব্লকে ঘটনা ঘটে, যেখানে আগুন কয়েকটি ঝুপড়ি ঘর ধ্বংস করে। সূত্র অনুযায়ী, আগুন করেছে ক্যাম্পের নির্মাণ মাটি ও কাঠ দ্বারা তৈরি অংশের জন্য দাবি করা হয়েছে।

তদন্ত চালু হয়েছে

ঘটনার পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ ও এপিবিএন সদস্যদের আগমন ঘটে। তদন্ত সংক্রান্ত বিষয়গুলি জানানো হয়, যেখানে প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে আগুন লাগার সম্ভাবনা ঘোষণা করা হয়। উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার ডলার ত্রিপুরা বলেন, "আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে। যদিও সঠিক কারণ এখনও নির্ধারণ করা যায়নি, তবে আগুন ক্ষতিগ্রস্ত করেছে কয়েকটি ঝুপড়ি ঘর।"

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অধিবাসীদের মধ্যে আশঙ্কা প্রকাশ পেয়েছে। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, আগুন ঘটার পর ক্যাম্পের স্বেচ্ছাসেবক ও সামাজিক কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য তৎপর হয়। তারা প্রাথমিকভাবে পানি সরবরাহ করে এবং আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য মূল কেন্দ্রের আশেপাশে কর্মসূচি পরিচালনা করে। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া উপস্থিত হয়েছে।

পরিণতি ও আশংকা

আগুন প্রায় ৪৫ মিনিটের মধ্যে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ক্যাম্পের পরিদর্শনে অংশ নেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং পুলিশ কর্মীরা। তারা ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের পরিচালনা করে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ঝুপড়ি ঘরগুলি পুনর্গঠনের জন্য সামগ্রিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ক্যাম্পের স্থানীয় অধিবাসীরা বিশেষ ভাবে আগুনের পরিস্থিতি উপস্থিত করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের সহায়তার জন্য আন্দোলন চালানো হয়েছে।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার ডলার ত্রিপুরা বলেন, আগুনের সূত্রপাতের সম্পর্কে স্থানীয় বিষয়টি সঠিকভাবে বোঝা যাচ্ছে। যদিও প্রাথমিক তদন্তে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট হতে শুরু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তবে বিস্তারিত তদন্ত চালু করা হয়েছে। ক্যাম্পে বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতা ছাড়া এই ধরনের আগুন আরও ভয়াবহ হতে পারে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মোট প্রায় ৪,০০০ কর্মী রয়েছে, যেখানে আগুনের কারণ সঠিকভাবে নির্ধারণ করা হয়নি। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের সাহায্যের জন্য স্থানীয় সংস্থাগুলি সামগ্রিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ক্যাম্পের স্বেচ্ছাসেবকরা আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ঝুপড়ি ঘরগুলি তাড়াতাড়