Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ইরানি হামলা: জাতিসংঘে জরুরি বৈঠকের ডাক বাহরাইনের | সংবাদ

Published June 28, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Michael Brown - banglabeacon.com

Foto : Michael Brown - banglabeacon.com

ইরানি হামলা: জাতিসংঘে জরুরি বৈঠকের ডাক বাহরাইনের

Banglabeacon.com – ইর ন হ মল - বাহরাইন মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলিকে লক্ষ্য করে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) কর্তৃক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনার প্রতি তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। এ ঘটনার কারণে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি জরুরি বৈঠক আহ্বানের দাবি জানানো হয়েছে।

বাহরাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে ঘোষণা করেছে যে সর্বশেষ হামলাটি ইরানের কর্মকাণ্ডের একটি অংশ নয়, বরং সে সব কার্যকারী হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে পরিচালিত হয়েছে। তাদের মতে, এই আক্রমণ বাহরাইনের সার্বভৌমত্ব ও নাগরিকদের সুরক্ষার বিরুদ্ধে একটি ধারাবাহিক প্রতিশোধের অংশ।

“সর্বশেষ এই হামলা প্রমাণ করে যে ইরানের কর্মকাণ্ড কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং এটি বাহরাইনের সার্বভৌমত্ব এবং দেশটির নাগরিক ও বাসিন্দাদের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে একটি ইচ্ছাকৃত ও ধারাবাহিক হামলার অংশ,” বাহরাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে যে ইরানি হামলায় মুহাররাক এলাকায় একটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু স্বস্তির বিষয় হলো, এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। ঘটনাস্থলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানো হয়েছে। তবে এটি দুই দিন ধরে ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিক্রিয়া। সপ্তাহ দুয়েক আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতা সইয়ের পর থেকে এটি দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার সবচেয়ে বড় ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ঘোষণা করেছে যে তারা ইরানের একাধিক লক্ষ্যে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই বিমান হামলার জবাবে কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলিকে লক্ষ্য করে আইআরজিসি পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের সালমান বন্দরে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম বহরের ঘাঁটি লক্ষ্য করে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। আটটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে বলে আইআরজিসি দাবি করেছে।