Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ইমাম হুসাইনের ‘নির্দেশনায়’ হোসনী দালান নির্মাণ

Published June 26, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Brown - banglabeacon.com

Foto : John Brown - banglabeacon.com

ইমাম হুসাইনের প্রেরণায় হোসেনী দালান নির্মাণ

Banglabeacon.com – ইম ম হ স ইন র ন - ঢাকার প্রাচীন এলাকা ঘিঞ্জি গলিতে অবস্থিত হোসেনী দালান একটি মোগল স্থাপত্যের সাথে শিয়া ধর্মের সমন্বয়ে তৈরি অপূর্ব ঐতিহ্য স্মৃতির স্থাপনা। এই মেলবন্ধন প্রতি বছর শহরের মহররম উৎসবে চূড়ান্ত প্রতীক হিসেবে প্রকাশ পায়।

দালানটি মোগল সম্রাট শাহজাহানের শাসনকালে ১৬৪২ সালে (হিজরি ১০৫২) নির্মিত হয়। মীর-ই-বহর বা মুক্তিযোগ্য প্রধান ইমারত পরিদর্শক সৈয়দ মীর মুরাদ এটি গড়ে তোলেন, যিনি শিয়া সম্প্রদায়ের মূল ধর্মীয় কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

জনশ্রুতি আছে যে, মীর মুরাদ এক রাতে স্বপ্নে দেখেন হযরত ইমাম হুসাইন (রা.) তাকে কারবালার শহীদদের স্মরণে একটি ‘তাযিয়াখানা’ বা শোকের স্থান নির্মাণের নির্দেশ দিচ্ছেন। এই স্বপ্ন দেখার পরদিনই তিনি কাজ শুরু করেন।

বর্তমান ভবনটি কেন্দ্র করে রয়েছে প্রাচীন রূপান্তরের মূল ইতিহাস। এটি একটি জলাশয়ের উত্তর পাড়ে বেদির ওপর অবস্থিত, যেখানে পরিদর্শন বৃত্তান্ত প্রকাশ পায়। এর দক্ষিণে একটি সুন্দর বাগান রয়েছে, যা অনেক সময় ধরে প্রাচীন দেওয়ানদের সংগঠন ও মুক্তিযোগ্য অর্থ প্রদানের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে।

হোসেনী দালানের নির্মাণ এর পর থেকে আরও গভীর প্রতিফলন করে আসে বাংলার সমাজের গুরুত্বপূর্ণ সম্প্রীতি। ঢাকায় শিয়া মুসলমান সংখ্যা সীমিত হলেও এই স্থানে সুন্নি মুসলমান এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা মহররমে সমবেত হতেন। সেই সময় মুক্তিযোগ্য প্রতিষ্ঠা ও সামাজিক যোগাযোগের এক উদাহরণ হিসেবে পরিচিত ছিল।

১৮৯৭ সালে ভূমিকম্পে মূল ভবনটি বিপুল ক্ষতি করে ফেলে। পরে ঢাকার নবাব আহসানউল্লাহ এক লাখ টাকা ব্যয় করে ভবনটি পুনর্নির্মাণ করেন। তার পর থেকে প্রতিটি কাঠামো ও চারপাশের পরিবেশের বৈশিষ্ট্য মোগল রূপান্তরে স্পষ্ট হয়।

২০১১ সালে ইরানি স্থপতি ও সরকারের যৌথ উদ্যোগে টাইলস, ক্যালিগ্রাফি ও ফোয়ারাগুলো পুনরুত্থান করা হয়। এটি পারস্য ও মোগল ধর্মীয় সংস্কৃতির মিশ্রণে রূপ ফিরিয়ে আনা হয়।

বর্তমানে প্রতি বছর মহররমের ১০ তারি�