Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ইউরোপ-আমেরিকার দৌড়ে এশিয়া-আফ্রিকার স্বপ্নের বিশ্বকাপ

Published June 10, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Williams - banglabeacon.com

Foto : John Williams - banglabeacon.com

ইউরোপ-আমেরিকার দৌড়ে এশিয়া-আফ্রিকার স্বপ্নের বিশ্বকাপ

Banglabeacon.com – ইউর প আম র ক র দ - ছয় সপ্তাহের উৎসব ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতিযোগিতার পরিসর বৃদ্ধি পেয়েছে তিন দেশের যৌথ আয়োজনে। ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার ক্রমাগত শক্তির পরিপ্রেক্ষনে, এশিয়া ও আফ্রিকার নতুন স্বপ্ন এখন আঁকা হচ্ছে।

২০২৬ বিশ্বকাপ এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের মুখোমুখি। কম্পিটিশনটি আগের রেকর্ডগুলো ভাঙার জন্য নতুন করে কমন হচ্ছে। বিশ্ব ফুটবলের মানচিত্র বিভিন্ন মহাদেশগুলোর স্বাধীনতা দেখা দিচ্ছে।

বাছাইপর্বের প্রতিযোগিতায় ইউরোপ প্রথম স্থানে রয়েছে। তাদের লড়াই মাত্র নয়, প্রতিটি মুহূর্তে সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বিকাশের জন্যও প্রস্তুত। স্পেন ও ফ্রান্সের নাম বুলেট হিসেবে উঠেছে ইউরোপের জয়ের সম্ভাবনার প্রথম সারিতে। স্পেন বিশেষজ্ঞদের মতে কৌশলগত ক্ষমতা কারণে শিরোপার দাবিদার বেশি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আত্মতুষ্ট থাকলে বড় দলদের হারাতে পারে তারা।

অপ্টা সুপারকম্পিউটারের সিমুলেশনে ইংল্যান্ডের সোনালি প্রজন্ম ও ফ্রান্সের গভীরতাময় স্কোয়াড জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। জার্মানি ও পর্তুগাল তাদের স্থান নিয়ে বিপদের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে।

দক্ষিণ আমেরিকা সামগ্রিক বিপদে ভাগ্য অপেক্ষা করছে। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এখন মেসিকে ছাড়া নতুন পথ ধরেছে। ব্রাজিল আক্রমণভাগের ধার বজায় রেখেছে। উরুগুয়ে নির্ভরযোগ্য মানসিকতা প্রদর্শন করেছে।

এশিয়ার দলগুলো অতিক্রম করতে চাইছে এগিয়ে। এশিয়া প্রথমবারের মতো আটটি সরাসরি জায়গা পেয়েছে। জাপানের খেলোয়াড়রা ইউরোপের মাঠে স্বাগতিক স্থান পেয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা বহন করছে। উজবেকিস্তান ও কাতার প্রতিটি দলকে চ্যালেঞ্জ দিতে পারে।

আফ্রিকার কাছে ২০২২-এর মরক্কো এক বড় সূত্র হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। সেনেগাল ও মিশর সমস্ত মহাদেশের চোখ তখন তাদের প্রতিযোগিতার জন্য মুগ্ধ। কিন্তু তাদের মানসিক দৃঢ়তা ও ধারাবাহিকতা আর বড় দলগুলোর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে সক্ষম হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার পাশাপাশি মেক্সিকো স্বাগতিক বাড়তি দিচ্ছে। খেলোয়াড়রা তাদের তরুণ প্রজন্ম দ্বারা প্র