AMP
Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ইউরোপে তাপবিপর্যয়: ফ্রান্সে ৭ দিনে মৃত্যু ২০২৫

Published July 4, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Anderson - banglabeacon.com

Foto : Jennifer Anderson - banglabeacon.com

ইউরোপে তাপবিপর্যয়: ফ্রান্সে সপ্তাহে মৃত্যু ২০২৫

Banglabeacon.com – ইউর প ত পব পর যয় - গত মাসে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে একটি স্থায়ী তাপপ্রবাহ বয়ে যায়, যা রেকর্ড পরিমাণে বিপর্যয় সৃষ্টি করে। সর্বাধিক বিপর্যয়ের প্রভাব বৃদ্ধদের ওপর পড়ে। ফ্রান্সের জনস্বাস্থ্য সংস্থা প্রতিবেদনে জানায় যে, জুনের শেষ সপ্তাহে দেশটিতে মৃত্যুর হার আগের সপ্তাহের তুলনায় ২৯ শতাংশ বেড়েছে। সেই সময়ে অতিরিক্ত মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ২ হাজার ২৫ জন। তবে শুধু প্যারিসে মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি বেড়েছে তা প্রমাণ করে যে, সেখানে মৃত্যু বেড়েছে ৬২ শতাংশ।

ফ্রান্সের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে যে এই হিসাব প্রাথমিক মাত্রা; স্থায়ী মৃত্যুর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্টেফানি রিস্ট বলেন, "৪৫ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পেয়েছে।" সাথে তাপপ্রবাহের সময় পানিতে ডুবে মৃত্যু ঘটনা মূল্যবান হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইউরোপের অর্ধেক এলাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ জুন ফ্রান্সে ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ দিন রেকর্ড করা হয়। তখন প্যারিসের তাপমাত্রা প্রায় ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। সেই পরিস্থিতিতে দেশের অর্ধেক এলাকায় রেড হিট অ্যালার্ট জারি করা হয়েছিল।

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রোতাইয়ু জানান, "১৮ জুন থেকে এ পর্যন্ত পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা হয়েছে ৭২ জনের।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপে তাপমাত্রা বিশ্বজুড়ের গড়ের দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্রীষ্মকালীন তাপপ্রবাহ আরও ঘন ঘন ও তীব্র হচ্ছে। পানি সংকট বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং দাবানলের প্রকোপও বেড়ে আসছে। বিজ্ঞানীরা মহাদেশটি বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত উষ্ণ হয়ে ওঠা জানায় যে, আগামী কয়েক দিনে কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

বেলজিয়ামেও এই তাপপ্রবাহে বিপর্যয় ঘটেছে। ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যেখানে স্বাভাবিক থেকে বেশি মৃত্যুর হার ছিল প্রায় ৩৯ শতাংশ। মৃতদের প্রায় অর্ধেক বয়স ছিল ৮৫ বছরের বেশি। নেদারল্যান্ডসে গত সপ্তাহে অপেক্ষাকৃত শীতল আবহাওয়ার পূর্বাভাস ছিল। তবে ইউরোপের অন্যান্য অঞ্চলে সপ্তাহের শেষ দিকে তাপমাত্রা আবারও বৃদ্ধি পাবে। সেখানে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে, যেখানে �