Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ইউজিসির বরাদ্দসংকটে বেতনহীন গোবিপ্রবির খণ্ডকালীন শিক্ষকেরা

Published June 18, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Taylor - banglabeacon.com

Foto : Jennifer Taylor - banglabeacon.com

গোবিপ্রবির অস্থায়ী শিক্ষকদের বেতন বন্ধ হওয়ায় চালাচাল বিপর্যস্ত হয়েছেন

Banglabeacon.com – ইউজ স র বর দ দস কট - ইউজিসির বরাদ্দসংকটে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বিভাগগুলোতে কর্মরত অস্থায়ী শিক্ষকদের কাছে বেতন আসছে না। এই সমস্যাটি দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলছে, যার ফলে শিক্ষকদের পাশাপাশি সামাজিক ও আর্থিক কষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সমস্যার কারণে তারা পরীক্ষার প্রস্তুতি ও শিক্ষার মান রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। ইউজিসির বরাদ্দসংকট নিয়ে আরও বিস্তারিত জানার জন্য এই প্রতিবেদনটি পাঠকদের দেখানো হলো।

অস্থায়ী শিক্ষকদের অবস্থা গুরুতর হয়ে উঠছে

গোবিপ্রবির অস্থায়ী শিক্ষকদের জন্য ইউজিসির বরাদ্দসংকট আরও জটিল হয়ে উঠছে। সংস্থার মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা আগে প্রতিমাসে মূল্যবান বেতন পান, কিন্তু এখন তা বন্ধ হয়ে গেছে। অনেকের বেতন বন্ধ হয়েছে মার্চ মাস থেকে, আর কয়েকটি বিভাগে বেতন বকেয়া রয়েছে এখনও পর্যন্ত ২০২৪ সালের শেষ পর্যন্ত। এই অবস্থায় শিক্ষকদের পারিবারিক জীবন একেবারে অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। কয়েকজন শিক্ষকের দাবি, কর্মকাণ্ডের উপর নির্ভর করে তাদের চালাচাল চলছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কীভাবে সংকট মেটাচ্ছেন

গোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক হোসেন উদ্দিন শেখ বলেন, “ইউজিসি থেকে প্রয়োজনের তুলনায় কম বরাদ্দ পেলে তারা বেতন দিতে পারেন নি। বিষয়টি নিয়ে ইউজিসির সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে, যার মাধ্যমে আমরা একটি সমাধানের আশা রাখছি।” বিশ্ববিদ্যালয় নিয়মিত ভাবে এই সংকট দূর করতে চেষ্টা করছে, যার ফলে বেতন বকেয়া সমাপ্ত হওয়ার আশা রয়েছে। কিন্তু পরিশোধের প্রক্রিয়া ক্রমে দীর্ঘ হচ্ছে।

শেখ মোশিকুর রহমান বলেন, “ইউজিসি থেকে অর্থ বরাদ্দ এসেছে, তবে সময় নিশ্চিত করে নেওয়া যাবে এখন পর্যন্ত আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে।” তিনি আরও বলেন, “বেতন পরিশোধের জন্য সংস্থার প্রতিক্রিয়া অপেক্ষা করছি।”

সমস্যাটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে বেতন বন্ধ হওয়ায় শিক্ষকদের ক্রয় মান হ্রাস পেয়েছে। অনেক ছাত্র বলেন, কয়েকটি বিভাগে ক্লাস প্রস্তুতি ও পরীক্ষা চালানো শিক্ষকদের ওপর নির্ভর করে। দীর্ঘ সময় বেতন না পেলে তাদের চালাচাল বিপর্যস্ত হয়েছে। এই সমস্যার কারণে শিক্ষকদের স্বাস্থ্য ও মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইউজিসির বরাদ্দসংকটের সম্পূর্ণ বিবরণ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে। বলা হয়েছে যে অধিকাংশ অস্থায়ী শিক্ষক ইউজিসির অনুমোদিত পদের বিপরীতে নিয়োগ করা হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্রমাগত নতু