Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ইংল্যান্ডের ইতিহাস গড়া জয়, ফ্রান্সের দীর্ঘ অপেক্ষার লজ্জার রেকর্ড

Published July 19, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Michael Brown - banglabeacon.com

Foto : Michael Brown - banglabeacon.com

ইংল্যান্ডের ইতিহাস গড়া জয়, ফ্রান্সের দীর্ঘ অপেক্ষার লজ্জার রেকর্ড

Banglabeacon.com – ই ল য ন ড র ইত - অবশেষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন আঁকা পাতার পরিচয় পেল। মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করে থ্রি লায়ন্স। এই সাফল্য ইংলিশদের ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর সেরা সাফল্য হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।

পূর্বে একুশ ও নব্বই দশকে দুইবার তৃতীয় স্থান খেলায় নেমেছিল ইংল্যান্ড, কিন্তু উভয় ক্ষেত্রে হার খাওয়া হয়েছিল। ২০১৮ সালে বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে হারের পর এবার সেমিফাইনালের বাঁক বাঁক করে সম্মানজনক সাফল্য অর্জন করেছে দলটি।

বুকায়ো সাকার হ্যাটট্রিক এবং মুখোমুখি গোলের স্পর্শ

প্রথমার্ধে ইংল্যান্ড ফ্রান্সের রক্ষণ ভাগে বিপর্যয় সৃষ্টি করে চার গোল সামনে নিয়ে যায়। ম্যাচে বুকায়ো সাকা তিনটি গোল করেন, যেটি তার সাফল্যের মুহূর্ত হিসেবে স্থান নেয়। অন্যদিকে ডেকলান রাইস এবং জুদ বেলিংহাম সহ আরও কয়েক খেলোয়াড় যোগদান করে ম্যাচের ভার বিভাজনে ভূমিকা পালন করেন।

যদিও শিরোপা খরা কাটেনি, তবে ধারাবাহিকভাবে সেমিফাইনাল খেলা এবং প্রথমবারের মতো ব্রোঞ্জ পদক জয় ইংলিশ ফুটবলের জন্য একটি বড় ইতিবাচক বার্তা।

ফ্রান্সের ইতিহাসে তাদের বিরতির আগে চার গোল হারানো হয়েছে প্রথমবার। এটি ১৯২৭ সালের পর সেরা মুহূর্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ সময়ে তাদের প্রথমার্ধে ৩-০ ব্যবধানে পিছনে যাওয়া হয়েছিল ১৯৫৭ সালে। এবার বিরতির পর কিলিয়ান এমবাপ্পের নেতৃত্বে দলটি পুনরায় ক্রমাগ্রাহী প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রদর্শন করে।

সেমিফাইনালে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে হার খাওয়ার পর ইংল্যান্ডের হার ফ্রান্সের ধারাবাহিক ইতিহাসে সম্পূর্ণ বিপর্যয় হিসেবে চিহ্নিত হয়। স্বাক্ষর প্রতিদ্বন্দ্বিতা সম্পূর্ণ সম্পূর্ণ ভারসাম্য হারিয়েছে প্রথমার্ধের তিক্ত স্মৃতি নিয়ে। ম্যাচে পরিসংখ্যান বলছে, ফ্রান্সের সম্ভাবনা মুক্তি পায় এমবাপ্পের দুটি গোল ও বারকোলার একটি গোল করে ব্র্যাডলি বারকোলা ও উসমান দেম্বেলে সামনে আসে।

এই ম্যাচে ইংল্যান্ডের হার নিয়ে যাওয়া দীর্ঘ ১৪ বছরের সফল অধ্যায়ের পরিচয় হয়। দায়িত্ব পালন করা কোচ থমাস টুখেলের ক্ষেত্রে বিশ্বকাপ চূড়ান্ত ক্ষেত্�