Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

আমের বাণিজ্যিক রাজধানীতে মুখরতার আড়ালে হতাশা

Published June 28, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Susan Brown - banglabeacon.com

Foto : Susan Brown - banglabeacon.com

আমের বাণিজ্যিক রাজধানীতে মুখরতার আড়ালে হতাশা

Banglabeacon.com – আম র ব ণ জ য ক - নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলা বাংলাদেশের একটি প্রধান আম উৎপাদনের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। মৌসুমের মাঝখানে এখন উপজেলার বিভিন্ন বাগানে পাকা এবং আধাপাকা আম ঝুলছে। সকাল থেকে সন্ধ্যাপর্যন্ত এখানে আম সংগ্রহ, বাছাই এবং বিক্রির সক্রিয়তা দেখা যাচ্ছে। গোডাউনপাড়া, তিলনা রোড ও হাসপাতাল মোড় এলাকায় কয়েক কিলোমিটার ব্যাপী বিশাল বাজার অবস্থান করছে। বারি-৪, ব্যানানা ম্যাঙ্গো সহ বিভিন্ন জাতের আম নিয়ে প্রতিদিন চাষিরা ভিড় করছেন।

বাজারে আম প্রতি মণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বৃদ্ধির সাথে সাথে দাম কমে গেছে। গত বছর মৌসুমের শুরুতে ৪৫ কেজি মণ ধরা হতো। এখন আরও বেশি ওজন দিতে হচ্ছে। কয়েক কেজি বেশি আম সাপাহারে নিয়মিত প্রচলিত হয়েছে। চাষিরা বলছেন, হিসাব করলে ১৩ মণ আম দিয়েও ১০ মণের দাম পাওয়া যায়।

অতিরিক্ত খরচ ও দাম হ্রাসে কৃষকের মুখে হতাশা

গত এক বছরে সার, কীটনাশক, সেচ, শ্রমিকের মজুরি এবং বাগান পরিচর্যার খরচ উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ প্রতি মণে আমের দাম এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা কমেছে। কৃষকদের অভিযোগ, উৎপাদন খরচ সামঞ্জস্য করতে পারছেন না।

“গত বছর মৌসুমের শুরুতে ৪৫ কেজি মণ ধরা হতো। এখন ৫২ থেকে ৫৩ কেজি পর্যন্ত দিতে হচ্ছে। নানা অজুহাতে আরও কয়েক কেজি বেশি নেওয়া হয়। হিসাব করলে ১৩ মণ আম দিয়েও ১০ মণের দাম পাওয়া যায়।”

আম উৎপাদনকারী আলম হোসেন বলেন, “বাগান করতে আগের তুলনায় অনেক বেশি খরচ হয়। শ্রমিক, সার ও কীটনাশক সবকিছুর দাম বেড়েছে। কিন্তু আমের দাম কমেছে। প্রতি মণে ১২ থেকে ১৫ কেজি বেশি আম দিতে হচ্ছে। এভাবে কৃষকের লাভ করা সম্ভব নয়।”

মাসুদ রানা বলেন, “এ বছর ভ্যাপসা গরমে প্রায় সব আম একসঙ্গে পেকে গেছে। সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় দ্রুত বিক্রি করতে হচ্ছে। ফলে আড়তদার যে দাম বলেন, বাধ্য হয়ে সেই দামেই বিক্রি করতে হয়। কৃষকদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছেন।”

আম ব্যবসায়ীদের মতে বিষয়টি ভিন্ন। সাপাহার আম ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন রিফাত বলেন, “রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন মোকামে ৫৪ থেকে ৫৬ কেজি হিসেবে আম কেনাবেচা হয়। সাপাহারে ক্যারেটসহ প্রায় ৫০ কেজি হিসেবে আম কেনা হচ্ছে। ক