Bangladesh

আগের নিয়মেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, মনোনয়নে দলীয় প্রধান

আগ র ন য়ম ই র ষ - ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এই তফসিলটি ঘোষণা করেন। আগামী ২০

Desk Bangladesh
Published August 7, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : John Brown - banglabeacon.com
Table of Contents
  1. নির্বাচন কমিশন ঘোষিত নতুন তফসিলে আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত নতুন তফসিলে আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

Banglabeacon.com – আগ র ন য়ম ই র ষ – ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এই তফসিলটি ঘোষণা করেন। আগামী ২০ আগস্ট তারিখে দেশের ২৪তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ভোট গ্রহণের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুসারে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় হলো ১৩ আগস্ট। অন্যদিকে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন হিসেবে ১৮ আগস্ট নির্ধারিত হয়েছে।

এর আগে সংসদ সচিবালয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্যদের নাম সংবলিত ভোটার তালিকা ইসিতে পাঠিয়েছিল। ইসি সচিব জানান, কমিশন বৃহস্পতিবার এই ভোটার তালিকা গ্রহণ করেছে। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, যদি রাষ্ট্রপতি পদে একক প্রার্থী থাকে তবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অন্যথায়, ৩৫০ জন সংসদ সদস্য ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করবেন।

বিগত সাতটি নির্বাচনে সরকারি দলের প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। এবারও বিএনপি মনোনিত প্রার্থী দেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিএনপির অনেক নেতার নাম এবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে উঠে এসেছে। এদিকে, কাকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হবে নিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে সম্প্রতি বৈঠক করেছেন। বৈঠক শেষে জ্যেষ্ঠ নেতাদের কয়েকজন বলেছেন, রাষ্ট্রপতি মনোনয়ননের বিষয়টি দলীয় প্রধানের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তারেক রহমান যাকে ভালো মনে করেন, তাকেই রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেবেন।

শিক্ষার্থী-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতির পরিবর্তন নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে, সংলাপ হয়েছে। এতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত প্রায় সব রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছে, মতামত দিয়েছে। এরপর তৈরি হয়েছে ‘জুলাই সনদ’। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা দলটি সংলাপে অংশ নিতে পারেনি। আর আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের মিত্র জাতীয় পার্টিকে সংলাপে ডাকা হয়নি। গণভোটে অনুমোদিত জুলাই জাতীয় সনদে প্রস্তাব করা হয়েছিল, রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন সংসদের উভয় কক্ষের সদস্যদের গোপন ভোটে। প্রস্তাব ছিল, এমপিরা ভোট দেবেন গোপনে। যেহেতু সংবিধান সংশোধন হয়নি, তাই এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগের নিয়মেই হচ্ছে।

গত ২১ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধানের ক্ষমতাবলে, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান আছে। সংবিধান অনুযায়ী এমপিরা দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারেন না। কারণ সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিলে এমপি পদ বাতিল হয়ে যায়। ফলে ক্ষমতাসীন বা সরকারি দল বিএনপি যাকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন দেবে, তার রাষ্ট্রপতি হওয়া অবধারিত।

এ কারণে সরকারি দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি বা অন্য কোন দলের প্রার্থী দেওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। অর্থাৎ বিগত সাতবারের মতো এবারো রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন ‘বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়’। গণভোটে অনুমোদিত জুলাই জাতীয় সনদে প্রস্তাব করা হয়েছিল, রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন সংসদের উভয় কক্ষের সদস্যদের (এমপি) গোপন ভোটে। সংবিধান সংশোধন করে সংসদে দুটি কক্ষ গঠন করা হবে- উচ্চ কক্ষ ও নিম্ন কক্ষ। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার জয় ঠেকাতে জুলাই সনদে প্রস্তাব করা হয়, সংসদ সদস্যদের (এমপি) গোপন ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। এর কারণ ছিল- এতে দলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার বিষয়টি প্রকাশ হবে না। সংসদ সদস্যদের মত প্রকাশের স্বাধীনতার পরিধি বাড়বে। যে ৩০টি সংস্কার প্রস্তাবে কোনো দলেরই নোট অব ডিসেন্ট ছিল না, এর একটি এই প্রস্তাব। তবে এখনও সংবিধান সংশোধন না হওয়ায় এই প্রস্তাব কার্যকর হয়নি। একই কারণে সংসদের উচ্চকক্ষও গঠিত হয়নি।

যদিও বিএনপির রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফায় ৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তনের কথা বলা আছে, যাতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের প্রার্থীকে ভোট দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। বাংলাদেশে সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন একবারই হয়েছে। পঞ্চম জাতীয় সংসদে ওই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর। ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস ওই নির্বাচনে ১৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। জামায়াতে ইসলামীর ১৮ এমপি তাকে ভোট দেন। আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী বিচারপতি বদরুল হাওদার চৌধুরী ৯২ ভোট পান।

Frequently Asked Questions

What is আগ র ন য়ম ই র ষ?

আগ র ন য়ম ই র ষ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does আগ র ন য়ম ই র ষ matter?

আগ র ন য়ম ই র ষ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment