Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

আইন থাকলেও কমছে না ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম

Published June 11, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Brown - banglabeacon.com

Foto : John Brown - banglabeacon.com

শিশুশ্রম নিরসন হলো বিশ্বজুড়ে গুরুতর সমস্যা

Banglabeacon.com – আইন থ কল ও কমছ ন ঝ - ৬ই জুন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শিশুশ্রম বিরোধী সংগ্রামের দিন পালন করা হয়। যদিও শিশুদের শিক্ষা এবং স্বাভাবিক বিকাশের অধিকার আইনে প্রতিষ্ঠিত, বাংলাদেশে বাস্তবতা এখনো আকাম নয়। রাষ্ট্রীয় আইনগুলো সত্ত্বেও সামাজিক ও পরিবারের দুর্বলতার কারণে দেশের সমস্ত শিশু বাচ্চাদের সুরক্ষিত শৈশব নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।

শিশুর মুক্তির পথে আটকে পড়ছে আইন

বিবিএস ও ইউনিসেফের সর্বাধিক সংখ্যক শিশু জরিপে জানা গেছে, দেশে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে শিশুশ্রম বৃদ্ধি পেয়েছে আশঙ্কাজনক স্তরে। বর্তমানে এই হার ৯.২ শতাংশ হয়েছে। পূর্বের সাথে তুলনা করলে বেশি প্রায় ১২ লাখ শিশু শ্রম নিয়ে জড়িয়ে পড়েছে।

গাইবান্ধার স্থানীয় দৃশ্য আরও ভয়াবহ

গাইবান্ধা জেলা সদরের বিভিন্ন এলাকায় শিশুশ্রম নিয়ে খুব একটু অবহেলা করা হচ্ছে। মিলন মিয়ার মোটরসাইকেল গ্যারেজে দুই শিশু কাজ করছেন প্রায় ১২-১৩ বছর বয়সে। তারা বলেন, দারিদ্র্য কারণে বাবা-মা তাদের কাজে নিয়ে আসেন। গ্রামগুলোতে সেই চিত্র আরও ঘুরে দেখা যায়। সাঘাটা উপজেলার যোগীপাড়া গ্রামে এক কৃষক তার নানা-নানির সাথে শিশু কাজ করেন চরাঞ্চল থেকে।

“যেকোনো মূল্যে শিশুদের বিদ্যালয়মুখী করতে হবে। প্রাথমিক বা মাধ্যমিক পর্যায়ে ঝরে পড়লে তারা শিশুশ্রমে জড়িয়ে পড়ে। প্রতিটি শিশুর স্কুলে যাওয়া অবস্থা সঠিকভাবে তদন্ন করা জরুরি,” বলেন শিক্ষাবিদ জহুরুল কাউয়ুম।

ফুলছড়ির বালাসীঘাটে স্থানীয় শিশুদের কাজে ভাগ হয়ে গেছে। তারা বাড়িতে দাদা-দাদির কাছে রেখে শিশুদের পরিবারের অভাব মেটাতে অনেক সময় বাবা-মা কর্মসংস্থানে খুঁজে পায়। তদন্ন ছাড়া অনেক শিশু শ্রমে আটকে পড়ে।

“শিশুশ্রমের মূল কারণ দারিদ্র্য। পরিবারের অভাব মেটাতে অভিভাবক শিশুদের উপার্জনে জড়িয়ে দেন, যা তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিচ্ছে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা, খাদ্য ও বাসস্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত শিশুশ্রম দূর করা সম্ভব নয়,” বলেন গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে) প্রধান নির্বাহী এম আবদুস সালাম।

খুব কম ক্ষেত্রে সরকারি আইনগুলো কার্যকর হচ্ছে। শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশে জড়িয়ে আনার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।