Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

অনিয়মিত অভিবাসনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি, ইইউকে আশ্বাস

Published June 12, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Brown - banglabeacon.com

Foto : John Brown - banglabeacon.com

বাংলাদেশ ইইউ সহ অনিয়মিত অভিবাসন রোধে যুত্ত গুরুত্ব দেয়

Banglabeacon.com – অন য়ম ত অভ ব সন জ - বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের অফিস কক্ষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ বৈঠকে বাংলাদেশ সরকার দেশের আইনশৃঙ্খলা ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির প্রতি ইইউ প্রতিনিধিদলকে জানানো হয়।

বৈঠকে অংশ গ্রহণকারী ইউরোপীয় ইউনিয়নের আন্তর্জাতিক বিষয়ক, রিটার্ন ও ভিসা সংক্রান্ত পরিচালক ও ইউরোপীয় কমিশনের অভিবাসন ও স্বরাষ্ট্র বিষয়ক মহাপরিচালক হেনরিক নিলসেন নেতৃত্ব দেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ বৈঠকে বলেন, সরকার বিগত চার মাসে সময়োচিত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করেছে।

“আমরা দেশের ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলা ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলাম। সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, দেশের ধর্মীয় ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রেখে আন্তর্জাতিক মানের মানবাধিকার কমিশন গঠনের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটিকে পুনর্গঠন করা হচ্ছে, যাতে দেশে আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।”

আলোচনার মাধ্যমে ইইউ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন হেনরিক নিলসেন মন্ত্রীকে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানান। ইইউ পরিচালক মাইকেল মিলার ও ইউরোপীয় কমিশনের আন্তর্জাতিক বিষয়ক ও মাইগ্রেশন সেক্টরের প্রধান আলেকজান্দ্রা ডোমানস্কা এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট ভাবে ঘোষণা করেন, বর্তমান সরকার মানবপাচার, অভিবাসী চোরাচালান এবং সব ধরনের অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

বৈঠকে আগামী ১২ জুন থেকে কার্যকর হতে যাওয়া ইইউর নতুন ‘অ্যাসাইলাম অ্যান্ড রিটার্ন বর্ডার প্রসিডিউর’ সম্পর্কে আলোচনা হয়। মন্ত্রী বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

ইইউ পরিচালক হেনরিক নিলসেন বাংলাদেশকে নিয়মিত অভিবাসন উৎসাহিত করতে ও অবৈধ অভিবাসন ও চোরাচালান প্রতিরোধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে অনুরোধ জানান। তিনি ইইউর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের নিরাপত্তা খাতের সার্বিক সংস্কারে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরবর্তী পর্যায়ে ইইউর সফর আশা

বৈঠকে আগামী অক্টোবরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের হোম অ্যাফেয়ার্স কমিশনার মার্কাস অসওয়াল্ড ব্রুনারের সম্ভাব্য বাংলাদেশ সফর গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। বাংলাদেশ পক্ষ এই সফরকে স্বাগত জানিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

ইইউ প্রতিনিধিদল ও বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করেন। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ও অনিয়মিত অভিবাসনে যুত্ত সংস্কার করতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও প্রসারিত হয়েছ