ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লোডশেডিংয়ে জনজীবন ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে
ব র হ মণব ড় য় য় – ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের উলচাপাড়া গ্রাম ও আশপাশের এলাকাগুলোতে গত এক সপ্তাহ ধরে লোডশেডিং চলছে। এতে সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। দুই ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার কারণে গ্রাহকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
রাতে সাধারণ মানুষের ঘুম হারানোর কারণে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিন চলা বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের অবহেলা নিয়ে তীব্র আপত্তি উঠছে। কাস্টমার কেয়ার এলাকার রাজিব কর্মকর্তা মুঠোফোনে বিদ্যুৎ আসার সময় বলেন, “বিদ্যুৎ যখন আসবে তখনই পাবেন, কখন পাওয়া যাবে তা বলা যাবে না।” গ্রাহকদের প্রতিবেদনের কাছে তিনি সদুত্তর দিতে অস্বীকৃত করেন।
বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের অপেশাদার আচরণ নিয়ে ভুক্তভোগীরা আরো বিষণ্ণ হয়ে উঠছেন। গ্রাহকদের অভিযোগ, কোনো আগের ঘোষণা ছাড়াই ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হচ্ছে। বিশেষ করে রাত ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় কিশোর, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ মানুষ দুর্দান্ত পরিস্থিতিতে পড়েছেন।
প্রকৌশলী মীর্জা মোহাম্মদ হাফিজ বলেন, “চাহিদার তুলনায় আমরা পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ পাচ্ছি না। উৎপাদন কম হওয়ায় বাধ্যতামূলকভাবে লোডশেডিং করতে হচ্ছে।” তিনি দাবি করেন যে আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের একটি ইউনিট নষ্ট থাকায় বর্তমানে কেবল একটি ইউনিট দ্বারা সরবরাহ সচল রাখা হয়েছে। সংকট দীর্ঘমেয়াদী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যেহেতু পরিস্থিতি উন্নত হলে সারারাত লোডশেডিং চলতে পারে।
ভুক্তভোগীদের মতামত অনুযায়ী দুই ঘণ্টা নয়, সারারাত বিদ্যুৎ বন্ধ থাকার কারণে এলাকার মানুষের দৈনন্দিন জীবন মুখ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে উঠেছে। এদিকে যেমন স্বাস্থ্য জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে, তেমন ভাবে নিরাপত্তার বিষয়েও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অসহনীয় পরিস্থিতির মুখে পরিবার ও পরিসেবনের প্রতিকূলতা অনুভূত হচ্ছে।