Bangladesh

আজতেকায় ফুটবল মহাকাব্যের সূচনা

20a08762-bf80-431b-beed-4947eabe42d3-0

আজতেকায় ফুটবল মহাকাব্যের সূচনা

Banglabeacon.com – আজত ক য় ফ টবল মহ ক – বিশ্বকাপের সর্ববৃহৎ আসরের পর্দা উত্থান ঘটে মেক্সিকো সিটির প্রাচীন আজতেকা স্টেডিয়ামে। স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিট) এক অপেক্ষা কম নয় মঞ্চ ঘিরে ঘুরে দাঁড়ায় ফিফার বৈশ্বিক শিক্ষা তহবিলে যাওয়া প্রতিটি সুরের টিকিট। বিশ্ব পরিচিত বিশ্বকাপের ইতিহাস পরিবর্তন করে আজতেকা এই আয়োজন এক নতুন কাল্পনিক কাহিনী সৃষ্টি করে।

শুরু হলো ঐতিহ্যবাহী দৃশ্যপটে

অনুষ্ঠানের প্রথম সূচনা পাপেল পিকাডো দৃশ্যপটে আলো ফেলে। এই স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের এক অতুলনীয় মুহূর্ত সৃষ্টি করে আদিবাসী শিল্পীদের পূর্বপুরুষের ছন্দ শুরু হয় অনুষ্ঠানের শুরুতে। লিলা ডাউন্স পৃথিবীর মানুষকে স্বাগত জানালেন স্প্যানিশ ও ইংরেজিতে: “পৃথিবীর মানুষ, তোমাদের স্বাগত জানাই মেক্সিকোতে।”

“পৃথিবীর মানুষ, তোমাদের স্বাগত জানাই মেক্সিকোতে।”

ফিফার সাংস্কৃতিক আয়োজনের উপর ভিত্তি করে মেক্সিকো সিটির পরপর শনিবার (১৩ জুন) লস অ্যাঞ্জেলেসে শেষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কেটি পেরি অংশগ্রহণ করবেন। আজতেকা স্টেডিয়ামে শুধু পপ নক্ষত্রই ঝলমল করেনি, বরং মেক্সিকান সংস্কৃতির মূল্য দেখায় সবাই। ড্যানি ওশেন গায়েন গান ‘পার্টিজাডো’, বেলিন্ডা ও লস অ্যানজেলেস আজুলেস স্পষ্ট করে ঐতিহ্য ও আধুনিক পপের সংমিশ্রণ।

মঞ্চে গ্যালারিতে উন্মাদনা সৃষ্টি করে মেক্সিকান রক ব্যান্ড মানা যখন গেয়ে দিলেন গান ‘ওই মি আমোর’। বিশ্বব্যাপী দুই কোটি দর্শকের বেশি অনুষ্ঠান দেখেছেন নির্বিচারে। শাকিরার উপস্থিতি সমালোচনার সাথে প্রশংসা জানিয়েছে বিশ্ব মাধ্যমগুলো।

“এটা দারুণ নয়,” বলেছেন কিছু অনুরাগী, “শুধু শাকিরা নয়, পুরো ব্যাপারটাই ফ্লপ।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া দুই ধরনের হয়েছে। শাকিরার সুর ও এনার্জি প্রশংসা পেয়েছে একাংশ দর্শক এবং সমালোচক। কিছু বিতর্ক ছড়ায় যখন ফক্স স্পোর্টস শাকিরার পারফরম্যান্সের পুরোটা সম্প্রচার করেনি, তখন অ্যালেক্সি লালাস ও টিয়েরি অঁরির বিশ্লেষণ বেশি গুরুত্ব পায়। টেলিমুন্ডো নেটওয়ার্ক পুরো আয়োজন দেখায়।

ফিফার বার্তা ছিল স্পষ্ট: ফুটবলের রাজনৈতিক সীমানা ভাঙার ক্ষমতা আছে, আর সেটা শুরু হলো আজতেকায়। বিশ্বকাপের দুই কলসাস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *