সরকারি অপেক্ষা ছাড়াই তৈরি হলো সেতু
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার কান্দাপাড়া গ্রামে গাজীখালী নদীর ওপর সেতু নির্মাণ ঘটনা বর্তমানে একটি স্থানীয় পরিবহন সৌভাগ্যের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে
Banglabeacon.com – সরক র অপ ক ষ ছ ড় – সরকারি অপেক্ষা ছাড়া সেতু তৈরি হয়েছে সাটুরিয়া উপজেলার কান্দাপাড়া গ্রামে। এই সেতু নির্মাণে গ্রামবাসীদের নিজেদের কাছে সংস্থান হয়েছে এবং প্রায় ১৫ হাজার মানুষের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর এটি সম্পূর্ণ হয়েছে। এটি বিনা সরকারি সহায়তায় তৈরি হয়েছে যাতে মানুষের পরিবহন আরও সুবিধাজনক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সম্প্রদায়ের সংগঠন সেতু নির্মাণের পিছনে কারণ
গাজীখালী নদীর ওপর সেতু নির্মাণের জন্য গ্রামবাসীদের সংগঠন করা হয়েছে। এই সেতুটি প্রায় ৮০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৮ ফুট প্রস্থ রাখে এবং পিলার ও বিমের সংস্থাপন গ্রামবাসীদের জমানো প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকায় সম্পন্ন হয়েছে। বর্ষাকালে নৌকা এবং শুষ্ক মৌসুমে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোই ছিল যাতায়াতের একমাত্র ভরসা। সাঁকো থেকে পড়ে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটত। বৃদ্ধ এবং শিশুদের বিপদের কথা তারা উল্লেখ করেছেন।
সালাম নামে এক বাসিন্দা বলেন, “আগে চার কিলোমিটার পথ ঘুরে আসতে হতো। এখন সেই সময় বেঁচে যাচ্ছে।” সেতু নির্মাণে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা সেতুর পাটাতন খরচ বহন করেছেন। তিনি এ নির্মাণ ঘটনার কথা আরও প্রশংসা করেছেন এবং সরকারি অপেক্ষা ছাড়া সেতু নির্মাণের দৃষ্টান্ত হিসেবে এটি উল্লেখ করেছেন।
‘এবারের বর্ষায় আমাদের আর ভোগান্তি পোহাতে হবে না। সেতুটি হওয়ায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং কৃষিপণ্যবাহী যানবাহন সহজে চলাচল করতে পারছে।’
বর্তমানে সেতুর পাটাতন প্রায় ৬ ফুট প্রস্তুত রয়েছে। কমিটির সদস্য মো. শরিফুল ইসলাম জানান, এতে বড় আকারের যানবাহন চলাচল আরও সহজ হবে। সরকারি দপ্তরে বারবার আবেদন করেও সাড়া না পেয়ে গ্রামবাসীদের আত্মনির্ভরশীলতার উদ্যোগ এখন গোটা জেলায় প্রশংসিত হচ্ছে। সেতু নির্মাণ ঘটনার সফলতা দেখিয়েছে কৃষিকার্ষ্ট্রে সামাজিক সম্পর্ক তৈরি করা এবং স্থানীয় গ্রামে স্থায়ি পরিবহন ব্যবস্থার জন্য আশাবাদ জাগিয়েছে।
সাটুরিয়া উপজেলার কান্দাপাড়া গ্রামের মানুষদের এই সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি ছিল না। কিন্তু �
